ইয়ারোস্লাভল শহরের এই বছরে প্রতিষ্ঠার হাজার বছর ও আবারও তৈরী হচ্ছে বিশ্বের রাজনৈতিক এলিট দের সাক্ষাতের জায়গা হিসাবে. ৯ – ১০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বার আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলন এখানে হতে চলেছে, যাতে বিভিন্ন দেশের সরকারি নেতা, রাজনীতি ও অর্থনীতি ও আইন বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এক জায়গায় হতে চলেছেন. এই বছর থেকে সম্মেলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতী পেয়েছে.    রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভের উদ্যোগে গত বছরে ইয়ারোস্লাভল শহরে এই ফোরামের আয়োজন করা হয়েছিল বর্তমানের প্রশাসনের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করার জন্য. গত বছরে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল. তখন এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের পাঁচশরও বেশী বিশেষজ্ঞ যোগ দিয়েছিলেন. সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ফরাসী প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সুয়া ফিইওন এবং স্পেনের প্রধানমন্ত্রী হোসে লুইস রডরিগেজ সাপাতেরো.    বর্তমানের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলনের বিষয় এই রকম ঠিক করা হয়েছে: "আধুনিক রাষ্ট্র: গণতন্ত্রের একক ও সাফল্যের মাপকাঠি". এখানে কথা হবে গণতন্ত্র ও আধুনিকীকরণ নিয়ে, আন্তর্জাতিক আইনের জন্য নতুন প্রশ্নাবলী নিয়ে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা চলবে. একটি মুখ্য বিষয় হতে চলেছে – গণতন্ত্রের একক. আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ফোরাম সুযোগ করে দেবে একসাথে আলোচনা করে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে একটি ঐক্যমতে পৌঁছাবার. তাই রাশিয়া ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট, দেশের জাতীয় সভার নাগরিক সমাজের উন্নতি পরিষদের সদস্য গ্লেব পাভলোভস্কি বলেছেন:    "রাজনৈতিক মতবাদ ও বাস্তব প্রয়োগের উন্নতি এক টানা আলোচনা, বিশ্লেষণ এবং সমালোচনার প্রয়োজন বোধ করে. তর্ক না থাকলে শুধু গণতন্ত্রই নয়, উন্নতিও থাকে না. অর্থনীতিতে এই ধরনের ফোরাম বিশ্বে বিখ্যাত হিসাবে কয়েকটি – যেমন, দাভোস শহরের ফোরাম, জি – ২০ – এই ধরনের সম্মেলনে একসাথে ঘড়ি মিলিয়ে নেওয়া হয়, মত ঠিক করা হয়ে থাকে, আর তা পরবর্তী কালে সহমতে আসার জন্য কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে থাকে. গণতন্ত্রের মাপকাঠি নির্ণয় – এটাও একই ধরনের বিষয়, কারণ যদি এই প্রশ্নে কোন ভিন্ন মত থাকে, তবে এক দল দেশ অন্য দেশ গুলিকে তাদের পছন্দের গণতন্ত্র চাপিয়ে দিতে চায়. আর তার ফলেই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে থাকে, যেমন দেখা গিয়েছে গত মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ জুনিয়র এর প্রশাসনের সময়ে. তাই গুরুত্বপূর্ণ হল, যাতে এই সব এককের মাপকাঠি গুলির বিষয়ে সহমতে পৌঁছনো যায়, পরবর্তী কালে সে গুলি প্রয়োজনে সমর্থন পায়, এমনকি বিশ্বে গণতন্ত্র প্রসারের প্রশ্নেও".    আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ফোরামের মধ্যে চারটি মূল বাস্তবিক বিষয়ে আলোচনা হতে চলেছে বলে পরিকল্পনা হয়েছে. সম্ভবতঃ আগামী ফোরাম, আগের বছরের মতই রাশিয়া ও বিদেশের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রচুর মনোযোগ আকর্ষণ করবে. আর ইয়ারোস্লাভল বিশ্বের রাজনৈতিক মতবাদ তৈরী করার কেন্দ্র হিসাবে নিজের অবস্থানকে আরও শক্ত করবে.