সারাতভ শহরে এসেছেন রাশিয়া কাজাখস্থান ও কিরগিজিয়ার বিশেষ বাহিনীর সেনা ও বিশেষজ্ঞরা. সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার জাতীয় সন্ত্রাস মোকাবিলা করার পরিষদ গুলির সম্মিলিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কার্যকরী মহড়া হবে.    এই প্রশিক্ষণ চলবে দুই দফায়: ১৬ থেকে ২৩ শে আগষ্ট ও ২৫ থেকে ২৮ শে আগষ্ট. এই সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা মতো সাজানো সন্ত্রাস বাদী দলের বিরুদ্ধে যৌথ ভাবে খোঁজ অনুসন্ধানের কাজ করা হবে, তিন দেশের আইন রক্ষা বাহিনীর কর্মীরা – সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশ গুলি থেকে জড় হয়ে বহু লোক জমা হওয়ার জায়গায় যৌথ ভাবে সন্ত্রাস মোকাবিলা করার জন্য মহড়া করবে.    একই সঙ্গে এই প্রশিক্ষণের সময়ে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশ গুলির নিরাপত্তা ও বিশেষ বাহিনীর নেতৃত্বের এক সম্মেলনেরও আয়োজন করা হয়েছে. মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে যে, এই সংস্থার সদস্য দেশ গুলি হল: রাশিয়া, কাজাখস্থান, চীন, উজবেকিস্থান, তাজিকিস্থান ও কিরগিজিয়া. এই সংস্থার কার্যক্রমের মধ্যে সদস্য দেশ গুলি এই অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসের মোকাবিলা করার জন্য সক্রিয় ভাবে অংশ নিচ্ছেন. আর বর্তমানের প্রশিক্ষণ – এই কাজের একটি অংশ. বিখ্যাত প্রাচ্য বিশারদ আলেক্সেই মাসলভ বলেছেন:    "সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা এমনই একটি সংগঠন, যা তৈরী করার উদ্দেশ্যই ছিল এই ধরনের নেতিবাচক ঘটনা গুলির সঙ্গে সংগ্রাম করা, যার একটি হল সন্ত্রাসবাদ. গত বছর ও এই বছরে সংস্থার নেতৃত্ব যে আলোচনা করেছেন তাতে কার্যতঃ দেখা গিয়েছে যে, বেশ কয়েকটি সীমান্ত পার হয়ে যাওয়া সমস্যা রয়েছে, প্রথমতঃ সীমান্ত পার হয়ে যাওয়া অপরাধ, যা সন্ত্রাসের সঙ্গেই জড়িত. আর সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল শক্তি গুলির যৌথ কার্যকলাপ. তাই প্রথম থেকেই সন্ত্রাস মোকাবিলা কেন্দ্র গঠন করা হয়েছে, যারা এই যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছে. বর্তমানে নতুন ধরনের প্রশিক্ষণের কথা হচ্ছে, যা আরও উঁচু স্তরের পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করবে. আর তার ফল হিসাবে একটি সম্মিলিত তথ্য ব্যাঙ্কের সৃষ্টি হবে, যেখানে সমস্ত সন্ত্রাসবাদী দল ও লোকের উল্লেখ থাকবে, তাদের অভিসন্ধির কথা থাকবে, যার ভিত্তিতে শুধু সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার দেশ গুলিই নয়, তার বাইরেও এই ধরনের কাজ কারবারের মোকাবিলা করা হবে, যেমন আফগানিস্থানে".    সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ ভাবে যৌথ সংগ্রামের পক্ষে সহায়তা করছে সাংহাই সহযোগিতার সংস্থার ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও ভরের বৃদ্ধি. এখানে শুধু সামরিক শক্তি বৃদ্ধির কথাই হচ্ছে না, সদস্য দেশ গুলির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও সক্রিয়তা বৃদ্ধি এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ গুলিকে আগ্রহী করেছে সংস্থার কার্যক্রম সম্বন্ধে. সংস্থার সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা বলেছে ভারত, ইরান, মঙ্গোলিয়া ও পাকিস্থান.