রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেছেন যে রাশিয়া ইউরোপীয় সংঘের দেশ গুলির সঙ্গে বিনা ভিসায় যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে তৈরী. "সেন্ট পিটার্সবার্গের আলোচনা" ফোরামের কাঠামোর মধ্যে আজ ইকাতেরিনবুর্গে রাশিয়া ও জার্মানীর সরকারি আলোচনার শেষে জার্মানীর চ্যান্সেলার এঞ্জেলা মেরকেল কে সঙ্গে নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা তিনি করেছেন.    জার্মানীর তরফ থেকে এই বিষয়ে ইতিবাচক কথাই বলা হয়েছে. ভিসা তুলে দেওয়ার কথাটি তুলেছিলেন ইকাতেরিনবুর্গ আসা জার্মানীর ব্যবসায়ীরা. প্রসঙ্গতঃ রাশিয়ার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় প্রবেশের কথাও উঠেছিল. এই সবই একসাথে ব্যবসার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভাল করতে পারে ও রাশিয়া এবং জার্মানীর এক সঙ্গে আধুনিকীকরণ ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি বিষয়ে সম্মিলিত কাজকে ত্বরান্বিত করতে পারে. "আমাদের বহু দিনের সহযোগী সম্পর্ক, যা আমাদের ঐতিহাসিক জটিল অংশ গুলিও খারাপ করতে পারে নি, আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে খুবই ফলপ্রসূ ভাবে মত বিনিময় হয়ে থাকে, আমরা সবসময়েই সম্মিলিত ভাবে প্রযুক্তি তৈরী করেছি, আমাদের বর্তমানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক খুবই ভাল" – বলেছেন দিমিত্রি মেদভেদেভ. "এই কারণেই আধুনিকীকরণের সহযোগিতার কাজে সবচেয়ে প্রযোজ্য জায়গা জার্মানীর নেওয়া উচিত্. আমরা খুবই আশা করব, যে আজ যে সমস্ত প্রকল্প আলোচিত হয়েছে এবং সেই সমস্ত কল্পনা, যা আমাদের মধ্যে রয়েছে, কিন্তু এখনও কাগজে কলমে করা হয় নি, তা বাস্তবায়িত হবে এবং তাতে বিষয় বস্তু সব ভালই হবে, কারণ জার্মানীর কাছে দারুণ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা রয়েছে".    দিমিত্রি মেদভেদেভ অংশতঃ তাঁর বিশ্বাস প্রকাশ করে বলেছেন যে, "জার্মানীর ব্যবসা রাশিয়ার স্কোলকোভো প্রকল্পে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে. এই জায়গা নতুন উদ্ভাবনী রাজনীতির বিশাল এক পরীক্ষা ক্ষেত্র হবে. দেশের প্রধান উল্লেখ করেছেন যে, রাশিয়া জার্মানীর বৃহত্তম সিমেন্স কোম্পানীর স্কোলকোভো তৈরী করার ইচ্ছায় সমর্থন প্রকাশ করে. আজ শোনা আরেকটি ভাল বিষয় হল – ২০১১ সালে আলাদা করে রুশ জার্মান বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং প্রশিক্ষণ বর্ষের আয়োজন". এই প্রসঙ্গে খুবই ভাল মূল্য দেওয়া হয়েছে, দুই দেশের একসাথে ইতিহাসের পাঠ্য বই রচনা কে. দিমিত্রি মেদভেদেভ রুশ ব্যবসার জার্মানীতে বিনিয়োগের প্রসারের পক্ষেও বক্তব্য রেখেছেন. এই প্রসঙ্গে জার্মানীর রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষ এঞ্জেলা মেরকেল ঘোষণা করেছেন যে, "জার্মানী একটি উন্মুক্ত দেশ এবং আমরা রুশ বিনিয়োগকে বলি স্বাগতম".    সম্মিলিত সাংবাদিক সম্মেলনের সময়ে দিমিত্রি মেদভেদেভ ও এঞ্জেলা মেরকেল ইরানের সম্বন্ধে তথ্য প্রসঙ্গ ছুঁয়ে গিয়েছেন. রাষ্ট্রপতি বলেছেন, "ইরান বহু দিন ধরেই পারমানবিক শক্তি বিষয়ে অনুসন্ধান করছে এবং বিশেষজ্ঞ সমাজের মতে ইরান সেই সমস্ত দেশের কাছে যারা পারমানবিক প্রযুক্তি বিষয়ে দোড়গোড়ায় পৌঁছনো দেশ গুলির সমকক্ষ". প্রসঙ্গতঃ এই বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, "আমাদের জন্য ইরান কি করছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আর সেটাও যা তারা ঘোষণা করছে. তাদের সামনে যে সমস্ত প্রশ্ন ধরা হয়েছে যদি ইরানের তার মধ্যে কিছু প্রশ্ন ভাল নাও লাগে, তবুও ইরানের উচিত্ হবে পুরুষত্ব দেখিয়ে আন্তর্জাতিক সমাজের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা করার".