রাশিয়ার মীর-১ এবং মীর-২ ব্যাটিস্কাফ মেক্সিকো উপসাগরে তেলের নির্গমণ বন্ধ করতে সক্ষম. তবে, এমন অনুরোধ এখনও পর্যন্ত আসে নি. এ সম্বন্ধে বি.বি.সি-কে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন এই ডুবুরী সরঞ্জামগুলির ক্যাপ্টেন ইয়েভগেনি চের্নায়েভ. এই ব্যাটিস্কাফগুলি জলের ৬০০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত নামতে সক্ষম, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত মাকোন্ডো ড্রিল-হোল অবস্থিত দেড় হাজার মিটার গভীরতায়. ইয়েভগেনি চের্নায়েভ মনে করিয়ে দেন, আমাদের এই ডুবুরী সরঞ্জামগুলি অনুপম. আছে দুটি সরঞ্জাম, এবং দুটিই একসঙ্গে জলে নামতে ও কাজ করতে পারে. এগুলি যথেষ্ট ক্ষমতা রাখে যেকোনো অতিরিক্ত সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজের জন্য. পৃথিবীতে মাত্র চারটি সরঞ্জাম আছে যা ৬ হাজার মিটার গভীরতা পর্যন্ত নামতে পারে, এগুলি হল- দুটি মীর সরঞ্জাম, ফরাসী নাউতিল এবং জাপানী সিনকাই. এও জানা আছে যে, এগুলির মধ্যে "মীর" সরঞ্জামগুলিই শ্রেষ্ঠ. এদিকে বি.পি কোম্পানির ইঞ্জিনিয়াররা তেল নির্গমণের সাথে যুঝে উঠতে পারছেন না. তাঁরা আশা করছেন আসন্ন ছুটির দিনগুলিতে ড্রিল-হোলের উপর নতুন গম্বুজ বসেনোর, যার সাহায্যে বের হওয়া তেল সংগ্রহ করা যাবে আর তারপর পাইপ-লাইনের মারফত বিশেষভাবে সজ্জিত ট্যাঙ্কারে ভরা যাবে. কোম্পানির বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে ক্ষতিগ্রস্ত ড্রিল-হোল থেকে তেলের নির্গমণ আগস্টের আগে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যাবে না.