বিজিং ইস্লামাবাদের সাথে যেমন দ্বিপাক্ষিক ভিত্তিতে তেমনিই আঞ্চলিক ব্যবস্থা ও পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের কাঠামোতে সহযোগিতা বাড়িয়ে যেতে চায়. এ সম্বন্ধে বৃহস্পতিবার বলেছেন চীনা গণপ্রজাতন্ত্রের সভাপতি হু জিনতাও চীনে পাঁচদিনের কর্মসফরে আসা পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জার্দারীর সাথে সাক্ষাতে. বিজিং ও ইস্লামাবাদের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ গভীর হওয়ার একটি প্রত্যক্ষ অভিব্যক্তি হল চীনের উত্তর-পশ্চিমে নিনসিয়া-হুয়েই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ৩রা জুলাই শুরু হওয়া মৈত্রী- ২০১০ প্রতীকী নামে দু দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মিলিত সন্ত্রাসবিরোধী মহড়া. চীনা-পাক বাণিজ্যিক-অর্থনৈতিক সহযোগিতার বর্তমান অবস্থা ও পরিপ্রেক্ষিতের কথায় এসে হু জিনতাও বলেন যে চীন বিদ্যুত্শক্তি ও জ্বালানী, লজিস্টিক্স, টেলি-কমিউনিকেশন, পরিকাঠামো নির্মাণ এবং কৃষিক্ষেত্রে দু দেশের সমবায়ের বিদ্যমান সব ধারার বিকাশ এবং নতুন নতুন ধারার অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে চায়. এর পর কৃষি, স্বাস্থ্যরক্ষা, আইন, ব্যাপক প্রচার মাধ্যম, অর্থনীতি ও প্রকৌশলের ক্ষেত্রে চীনা-পাক সহযোগিতা সংক্রান্ত ছয়টি চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হয়.