সোচীতে এবারে সমুদ্রের জল বিক্রী করা শুরু হয়েছে. ছোট্ট ডলফিন আকারের বোতলের মধ্যে এয়ার টাইট অবস্থায় ঢালা হচ্ছে জল. এই বছরের ছুটির সময় বেড়াতে যাওয়ার জন্য সমুদ্রের পারের জায়গা গুলি থেকে কিনে আনা অসাধারণ উপহার গুলির মধ্যে এই ডলফিন বোধহয় সমস্ত রকমের রেকর্ড ভাঙ্গবে.এর আগে কেউ কোনদিন সমুদ্রের জল বিক্রীর কথা ভাবে নি. সেই জল খাওয়া যায় না, শরীরের উপকারের জন্যও দীর্ঘকাল ধরে রাখা যায় না. একমাত্র সমুদ্রে গিয়েই সেই জলের উপকার কাজে লাগানো যায়. আর স্যুভেনির হিসাবে – চলতেই পারে. এই রকম মনে করেই, সোচী শহরের এক নানা রকম উপায় বার করতে পারা লোক, আলেকজান্ডার স্ভেতলিচনী এয়ার টাইট বোতলে এই জল বিক্রীর মতলব করেছেন. "ভেবে দেখেছিলাম, সাধারন বোতলে হলে লোকে কিনতে চাইবে না, তাই ১৮ সেন্টিমিটার উচ্চতার সমস্ত রকমের রামধনুর রঙের ডলফিন আকারের মাত্র ৩৫০ মিলিমিটারের বোতল বানিয়ে তাতে ঢালা হল". ৪৮ বছর বয়সের সোচী শহরের এই ভদ্রলোকের এটা একমাত্র আবিষ্কার নয়, আগে তিনি একটা জলে স্কি করা যায় এমন জিনিস বানিয়েছিলেন, যাতে করে বড় আর বাচ্চারা জলের উপরে হাঁটতে পারে, দেখে মনে হত জলের উপর সাইকেল চালানো হচ্ছে. লোকে ব্যাপারটা বিশেষ নেয় নি, তাই তিনি উদ্যোগটা বিসর্জন দিয়েছিলেন. আর এবারে তার স্যুভেনির কিন্তু এর মধ্যে ট্রেড মার্ক আর পেটেণ্ট পেয়ে গেছে. আলেকজান্ডার স্ভেতলিচনী একটা মার্কেট স্টাডি করে দেখেছেন, তার জন্য ফিল্টার করা সমুদ্রের জল লেখা অনেক গুলি নানা রঙের বোতল বানিয়ে বিক্রীর জন্য রেখেছিলেন. মুহূর্ত মধ্যে তার সব কটাই বেড়াতে আসা লোকেদের মধ্যে বিক্রী হয়ে গিয়েছিল. তাই তিনি নতুন আরও রঙীণ ডলফিন এর মত বোতল বানিয়ে দোকান গুলিতে বিক্রীর জন্য দিয়েছেন.বর্তমানে আলেকজান্ডার অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে তাঁর ডলফিন সম্বন্ধে চিঠি পত্র লেখা লেখি করছেন, তাঁর আশা যে, তাঁর রঙীণ ডলফিন শুধুমাত্র আগামী অলিম্পিকের সময়ের এক স্যুভেনির বলেই শুধু স্বীকৃত হবে না, বরং ২০১৪ সালের সোচী অলিম্পিকের একটা প্রতীক হতেই পারে.