বৈকাল অঞ্চলের পুবদিকে, যেখানে ভস্তোক-২০১০ (পুব দিক- ২০১০) সামরিক মহড়া চলছে, মোটর-রাইফেল ব্রিগেড তাতে যোগ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ওনোন নদী পার হয়ে অন্য পারে নিজের স্থিতি সুদৃঢ় করেছে. যুদ্ধের গতিতে সুবিধাজনক জায়গা দখলের জন্য এই প্রথম ব্যবহৃত হয়েছে নতুন নতুন ধরণের প্রযুক্তি, বিশেষ করে ভারী অগ্নিবর্ষণ ব্যবস্থা, এয়ারোজোল ক্যামুফ্লেজের এবং ফেনার আবরণে ক্যামুফ্লেজের গাড়ি, নতুন প্রজন্মের নকল নদী-পার ব্যবস্থা, স্থিরীকৃত প্রতিপক্ষের অনুসন্ধানী ব্যবস্থা প্রতিরোধের ইলেক্ট্রোনিক ব্যবস্থা. ট্যাঙ্ক বাহিনী নদী পার হয় জলের তলায় চার মিটার গভীরতায়, অন্যপারে সফলভাবে তার স্থিতি সুদৃঢ়করণ মুখ্য শক্তিকে নদী পারের সুযোগ দেয়, যে শক্তি নির্ধারিত অঞ্চলে সামরিক ক্রিয়াকলাপের জন্য সমাবেশ করা হচ্ছে.