রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব তার সূদুর প্রাচ্যের দীর্ঘ সফরে আজ আমুরস্কয়ি উপশহরের রাজধানী ব্লাগাবেশেনস্কে পৌঁছেছেন.বিস্তারিত জানিয়েছেন আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি আন্দ্রেই গ্রিবানোব.

সূদুর প্রাচ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এই সফরের দ্বিতীয় দিনে সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থানীয় পর্যায়ে অত্র প্রদেশে নতুন প্রযুক্তি সরবরাহই প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে. মেদভেদেব ব্লাগাবেশেনস্কিতে প্রথমই যান স্থানীয় ইউরেনিয়াম উত্তলনকরী কারখানা পেত্ররোপাবলোবস্কে.সেখানে প্রেসিডেন্টকে দেখানো হয় কিভাবে সনাতন পদ্ধতিতে এবং বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে.অর্থনৈতিক মন্দা সত্বেও প্রতিষ্ঠানটি বেশ ভালভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে.আমুরস্কয়ি উপশহরের শিল্প উন্নয়ন কার্যক্রম বিষয়ে পেত্ররোপাবলোবস্কে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করা হয়.দেখা যাচ্ছে যে,খাবারোবস্কায়াতে সূদুর প্রাচ্য উন্নয়নের জন্য ঐ সভায় দিমিত্রি মেদভেদেবের নীতিমালাগুলোর সাথে পুরোপুরিই মিল পাওয়া যাচ্ছে.প্রথমত-এটি স্বয়ংসম্পূর্ন উন্নয়নশীল এলাকা এবং একই সাথে যোগাযোগ ও জ্বালানীখাতেও সমান উন্নয়নর ছোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়.দ্বিতীয়ত-এটি এশিয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোই হল এই প্রতিষ্ঠানটির মূল ভোক্তা.উল্লেখ করা যাচ্ছে যে,দিমিত্রি মেদভেদেব এক বিবৃতিতে বলেন যে,রাশিয়ার সদূর প্রাচ্যের ও নিকটবর্তী দেশসমূহের সাথে দৃড় অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়টি জন্য রাশিয়ার বরাদ্ধ অর্থের পরিমান যথেষ্ট.ব্লাগাবেশেনস্কিতে সফরের ২য় অংশের বিষয়বস্তুও মূলত প্রথম দিনের সাথে সম্পর্কযুক্ত.প্রেসিডেন্ট উন্নয়ন কর্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন.এছাড়ে সীমান্ত এলাকায় শুল্ক ব্যবস্থা ও ইমেগ্রেশন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাবলী নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন.আলোচনা পর্বটি একটি জাহাজের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় যা আমুরের চারপাশ দিয়ে অতিক্রম করে.উল্লেখ করা যাচ্ছে যা,ব্লাগাবেশেনস্কি হল রাশিয়া ও চীনের সীমান্তবর্তী শহর.দিমিত্রি মেদভেদেব প্রাশাসনকে শুল্ক সায়ুজের সুফল গ্রহন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন, যা রাশিয়া,বেলারুশ ও কাজাকিস্তানের মধ্য গঠিত হয়েছে.এছাড়া একই সাথে তিনি অভিবাসীদের জন্য আইনী ব্যাবস্থা শিথিল করারও আহবান জানান.এখান থেকেই দিমিত্রি মেদভেদেব ব্লাদিভস্তকের উদ্দেশ্যে রওনা হন.এবছরের অন্যতম একটি সামরিক মহাড়া ভাস্তক ২০১০ এ উপস্থিত থাকবেন.