বৃহস্পতিবার বৈকাল হ্রদে রাশিয়ার মীর-১মীর-২ সরঞ্জাম ব্যবহার সহ গভীর জলে অধ্যয়নের নতুন মরশুম শুরু হচ্ছে. বিজ্ঞানীরা অধ্যয়ন করছেন হ্রদের জীবজগত, উপকূল-রেখার পরিবর্তন, জলতলের কর্দমবাহী আগ্নেয়গিরি, হ্রদের তলদেশে টেকটোনিক সক্রিয়তা, তাছাড়া অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তুর. পরিকল্পনা আছে প্রায় ৬০ বার এ সরঞ্জামগুলি জলতলে নামবে. এ অভিযানে অংশগ্রহণের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি সাহিয়াগিইন এলবেগদোর্ঝ, মার্কিনী চলচ্চিত্র পরিচালক জেমস ক্যামেরন, নামকরা হাইড্রোনট ডোনা ওয়ালশএবং সিলভিয়া এর্ল, যাঁরা বৈকালে পৌঁছোবেন জুলাই মাসের শেষে. ২০০৮ সাল থেকে মীর সরঞ্জামগুলি বৈকাল হ্রদের জলের নিচে ১২০ বারেরও বেশি নেমেছে. এ অধ্যয়নের ফলে আবিষ্কৃত হয়েছে ভবিষ্যতের জ্বালানী- গ্যাস-হাইড্রেটের বেশ কিছু এলাকা. গবেষকরা হ্রদের তলদেশে অধ্যয়ন করেন তেলের বিদ্যমানতার আভাস, প্রাচীন টেরেস, যা বৈকাল হ্রদের বয়স আরও সঠিকভাবে নিরূপণের সুযোগ দেবে, তাছাড়া তাঁরা স্থানীয় জীবজগতের আগে অজানা প্রতিনিধিদেরও খুঁজে পেয়েছেন.