৩০ শে জুন থেকে ৪ঠা জুলাই প্রথম আন্তর্জাতিক "যন্ত্র নির্মাণে প্রযুক্তি – ২০১০" ফোরামে দর্শকেরা সত্যিকারের "ইস্কানদের" রকেট  "নৃত্যরত ট্যাঙ্ক বাহিনী" দেখতে পারবেন. এই বিশাল অনুষ্ঠানকে বিনা কারণে "স্থল বাহিনীর ম্যাক্স" নাম দেওয়া হয় নি – প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে সেই মস্কো উপকণ্ঠের বিজ্ঞান নগরী ঝুকভস্কি শহরের জায়গাতেই যেখানে প্রতি দুই বছর পরপর একই "ম্যাক্স" নামের বিশ্ব বিখ্যাত অন্তরীক্ষ ও মহাকাশ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়ে থাকে.বিশেষজ্ঞ ও দর্শকদের জন্য বিশেষ আগ্রহের জায়গা তৈরী করা হয়েছে এক বিশেষ মহড়ার জায়গায়, যেখানে বিভিন্ন ধরনের সাঁজোয়া গাড়ীর প্রদর্শনী করা হবে. ফোরামের ডেপুটি ডিরেক্টর ভ্লাদিমির সোভিয়েতকিন বলেছেন: "রাশিয়ার একই ধরনের প্রদর্শনীতে আগে কখনও এই রকম করা হয় নি. এখানে সমস্ত রকমের সাঁজোয়া গাড়ীকে যেমন দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তেমনই তাদের চলন্ত অবস্থায় কার কি রকমের ক্ষমতা তা দেখা যাবে. কারণ এই মহড়ার জায়গা এমন করে বানানো হয়েছে যে, সেখানে বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখা যাবে ও দরকারে দারুণ সব প্রদর্শনী করা যাবে. দাঁড়ানো অবস্থায় খোলা জায়গাতে দেখা যাবে প্রায় ৬০ রকমের সাঁজোয়া গাড়ী, তাদের মধ্যে ২৩ টি রকমের হবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমানে ব্যবহৃত সাঁজোয়া গাড়ী. এর মধ্যে আছে ট্যাঙ্ক টি – ৯০, টি – ৮০, পদাতিক বাহিনীর যুদ্ধের গাড়ী, গোলা গুলি প্রতিরোধ করতে পারে এমন সব পরিবহনের গাড়ী. চলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যাবে কামাজ, উরাল, গাজ ইত্যাদি রাশিয়ার নাম করা সামরিক গাড়ী তৈরী করার কারখানার সাঁজোয়া গাড়ী গুলি,  - এর মধ্যে থাকবে ভারী চাকার প্রধান গাড়ী গুলি. সব মিলিয়ে প্রদর্শনীতে চলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যাবে ৩৬টি গাড়ী, তার মধ্যে "ঐতিহ্যময় অপ্রতিহত" সাঁজোয়া গাড়ীও দেখতে পাওয়া যাবে".বিশেষজ্ঞ এবং দর্শকদের বিশেষ উত্সাহ থাকবে "টি – ৯০ এস" নামের ট্যাঙ্ক চলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়ার, যার গোলা বর্ষণের ক্ষমতা দারুণ ও যে কোন রকমের জায়গায় তা চলতে পারে. একই ধরনের ফরাসী "লেক্লার্ক" ট্যাঙ্কের বা জার্মান "লেপার্ড" ট্যাঙ্কের চেয়ে এই ট্যাঙ্কের ওজন ৯ টন কম, আমেরিকার "আব্রামস" ট্যাঙ্কের চেয়ে ওজন প্রায় ১১ টন কম তার ওপরে এটা সবচেয়ে নীচু ট্যাঙ্ক, যার ফলে যুদ্ধ ক্ষেত্রে এই ট্যাঙ্কের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশী. বর্তমানের গাড়ী আর ঐতিহ্যময় টি – ৩৪ ট্যাঙ্ক নাচ দেখাবে. আয়োজকেরা আশ্বাস দিয়েছেন এক ভোলা যায় না এমন শো দেখতে পাওয়া যাবে. এই শো তে যা দেখানো হবে তার নৃত্য পরিকল্পনা করেছেন বলশয় থিয়েটারের নৃত্য পরিকল্পনা কারী আন্দ্রেই মেলানিন.স্বাধীন রাষ্ট্র সমূহের কোম্পানী গুলি ছাড়া এই ফোরামে অংশ নিতে আসছেন জার্মানী, ফ্রান্স, ভারত, জর্ডন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধি কোম্পানীরা. প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ২০০ কোম্পানী এবং কর্পোরেশন, তাদের মধ্যে সেই সমস্ত কোম্পানীরাও রয়েছেন যারা সরকারি "রসটেকনোলজি" কর্পোরেশনের অংশ. এই কর্পোরেশন জাতীয় সামরিক প্রযুক্তি সহযোগিতা পরিষেবার সঙ্গে একসাথে এই প্রদর্শনী ও ফোরামের আয়োজন করেছেন.