0গায়ক এডওয়ার্ড গিল যিনি ত্রো-লো-লো নামো পরিচিত তার জন্য শ্রেষ্ঠ কবিতা প্রতিযোগিতায় তহবিল সহযোগিতা প্রয়োজন এবং গনমাধ্যম উন্নয়ন.


0 প্রতিযোগিতাটি গীতিকার আরকাডি অস্টোবস্কায়ার ছড়া গান  “ভোকালিজ” নামে অনুষ্ঠিত হবে.


0 ছড়া গানটি লেখক নিজ জীবনের প্রতিফলেন থেকে স্বাধীন ও হঠাত করেই বাছাই করেছেন.


0 আগ্রহী যে কেউ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে এবং এর জন্য বয়স বা জাতীয়তার কোন বাধ্যবাধকতা নেই.


0 কবিতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে একজন কবি অথবা  কয়েকজন কবির লেখা কবিতা গ্রহন করা যাবে.(সহযোগি লেখক গ্রহনযোগ্য).


0 কবিতা পাঠানোর জন্য বিশেষ ই-মেইল ঠিকানা হলঃ

0trololo@ruvr.ru


0  পাঠানো চিঠিতে অবশ্যই পূর্ণ নাম,বয়স,ই-মেইল ঠিকানা ও টেলিফোন নাম্বার লিখতে হবে.


0 বাছাই প্রক্রিয়াঃপুরো বিষয় সম্পর্কে সৃজনশীল কাজ,বিষয় নির্ধারন ও সাহিত্য ভঙ্গি.


0 আগামী ১৫ আগষ্ট ২০১০ সন পর্যন্ত আবেদনপত্র গ্রহন করা হবে.প্রতি সপ্তাহের শেষে www.baltinfo.ru  এই ওয়েবসাইটে কবিতার সংষ্করণ কপি প্রকাশ করা হবে.


0 প্রাথমিক পর্যায়ে বিজয়ীরা চুড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত হবে.এরা সবাই বিচারকমন্ডলীর তত্বাবধানে থাকেব.বিচারক প্যানেলে থাকছে কবি,গীতিকার এবং সেন্ট পিটার্সবুর্গে নিবন্ধকারী জেনারেল কনসূলরা.এর প্রধান হিসাবে থাকছেন এডওয়্যার্ড হিল.


0 সেরা ছড়াগুলো যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় লেখা হবে সেগুলোকে একটি সার্বজনীন গানে রুপ দেওয়া হবে,যার নাম হবে “ পৃথিবার জাতীয় সঙ্গীত”


0 প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত ফলাফল ও বিজয়ীদের নাম আগষ্ট মাসের মাঝামাঝি সময় জানা যাবে.


0 সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় খ্যাতি পাওয়া সঙ্গীত শিল্পী এডওয়্যার্ড হিল যাকে  এখনও সবাই সমানভাবে ভালবাসে এবং এই বছরের মার্চ মাসে তিনি ত্র্রো-লো-লো সঙ্গীতের কল্যানে বিশ্ব পরিচিতি লাভ করেন.মনে করা হচ্ছিল যে শিল্পী আবারও ইন্টারনেটে অলিম্পিয়াড আয়োজন করতে যাচ্ছে.তিনি নিজেই তার হিট গান ত্র্রো-লো-লো’কে নিয়ে আন্তর্জাতিক কবিতা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছেন.


0 এডওয়্যার্ড হিল বলেন,এই কবিতা হতে পারে ভালবাসার,হতে পারে প্রকৃতিকে নিয়ে অথবা বুড়োদের নিয়ে-যেকোন বিষয়েই,এমনকি বিশ্বের যে কোন ভাষায়.নির্বাচকমন্ডলীর প্যানেলে যার নেতৃত্ব থাকছেন হিল নিজেই,বিভিন্ন ভাষায় পাঠানো প্রতিটি ভাষার কবিতার জন্য ঐ ভাষার মানুষও বিচারক প্যানোলে স্থান পাবে.


0 ত্র্রো-লো-লো’র জনপ্রিয়তা ইন্টারনেটেও সমানভাবে পেয়েছে,যা ১৯৬৬ সনে আরকাডি অস্টোবস্কায়া রচনী করেছিলেন.এর শিরোনাম ছিল- আমি অনেক খুশি,এবং আমি,অবশেষে-বাড়ী ফিরে এসেছি.৪৪ বছর পূর্বে তখন সঙ্গিতে পদ্যের তেমন কদর ছিল না.শিল্পী যখন একবার এই গানে জনপ্রিয়তা অর্জন করে তখন এই গান গায় তত্কালিন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গিত তারকারা,যাদের মধ্যে রয়েছেন বালেরী আবোদজিনস্কী,মুসলিম মাগোমায়েব.ইন্টারনেটের যুগ আসা পর্যন্ত  এডওয়্যার্ড হিল  রঙ্গীন ক্লিপের কারণে ১৯৭৬ পর্যন্ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন.গানটিতে কোন কথা না থাকায় তিনি সব ভাষায় তা পরিবেশন করতে পারেন.যে কোন দেশে ভ্রমনে এসে প্রথমে জনগনকে বলত যে,এখন যে শ্রোতাদের নিজ ভাষায় একটি গান পরিবেশন করা হবে.শ্রোতারা অধীর আগ্রহে নিজ ভাষার গানের জন্য অপেক্ষা করত.প্রথমত তারা মনে করত যে,প্রথম কলিতে ল্যা-ল্যা-ল্যা’র কী শেষ হবে,অতরপর  ২য় কলি এবং ৩য় কলির সময় সবাই হাসতে থাকে.সেই স্মৃতি মনে করেন হিল.সব জায়গায়ই একই রকম সাড়া পেতেন-তা ইতিবাচক রসিকতার.  


0 ইন্টারনেট ২য় জীবনে এডওয়্যার্ড হিলকে সাফল্য বয়ে আনে.বহির্বিশ্বে ইন্টারনেট পরিচিতিতে এডওয়্যার্ড হিল এসেছেন মাত্র ২০১০ সনে.ইউটিউবে তার গানের ক্লিপ দেখেছেন প্রায় মিলিয়ন দর্শক,এখন তা পুরো বিশ্বে.এডওয়্যার্ড হিলের নিজস্ব ওয়েবসাইটের  অতিথি পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভাষায় তার সঙ্গীত এবং রয়েছে আমন্ত্রনপত্রও. যার তাকে ভালবাসে তারা হিলের অনেক জনপ্রিয় গানই পরিবেশন করে.এডওয়্যার্ড হিলের রসিকতাপূর্ন জনপ্রিয়তা স্বংয় যে ইন্টারনেট নিয়ে এসেছে .


0 শোনে সবাই,হ্যাঁ.দারুন গান যে.আজ হয়ত আমাকে শুনবে,কাল হয়ত অন্যদেরকে.বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জনকারী এই শিল্পীর এমনই ছিল অনুভূতি.


0 যে কোন পরিস্থিতিতে,বিভিন্নভাবে শ্রোতাদের কাছে উপস্থাপিত হয়েছে,কেউবা আগ্রহকরে অথবা বিশ্ব খ্যাতির কাথা শুনে .স্বংয় এডওয়্যার্ড হিল যিনি দীর্ঘ জীবনের অসাধারন প্রতিভা ও চমত্কার ভাগ্যের অধিকারী,সেই সাথে ইউরি গ্যাগারিনের সাথে সাক্ষাতটিও.প্যারিস হোটেলে কাজ ও রক গান প্রক্লপ “হিল ও পুত্র”.এবং চির স্মরণীয় গানসমূহ বর্তমান সময়েও একাধিক জনপ্রিয় গান হল-“শীতকাল”,”নাম না জানা উচ্চতায়”,”আমি মস্কোর পথে”,”চন্দ্র পাহাড়”.


0 যাই হোক,অর্জনে ”ত্র্রো-লো-লো” ধারাবাহিকভাবেই,অতপর ৩য়, জীবনোর সাথে নিজের একটি মেধাবী লেখা?সময় বলে দিবে.