রাশিয়ার জরুরি সহায়তা মন্ত্রনালয়ের একটি বিমান গতকাল রাতে  কিরগিজস্তানে সংঘর্ষের ঘটনায়  গুরুতর আহত ৬ জন কিরগিজস্তানের নাগরিককে নিয়ে ইতিমধ্যে মস্কো এসেছে.এদের মধ্যে রয়েছে পাঁচবছরের শিশু ও পুলিশ কর্মকর্তা .ত্রদের উভয় পায়ের চিকিত্সা করতে হবে.তাদের সবাইকে এখন উন্নত চিকিত্সা সেবা প্রদান করতে হবে যা তাদের নিজ দেশে পাওয়া সম্ভব নয়.বিমানে উড্ডয়নের সময় আহতদেরকে বিমানের অভ্যন্তরে বিশেষ অস্থায়ী হাসপাতালে চিকিত্সা প্রদান করা হয়.এই ৬ জনকে রাশিয়ার জরুরি ত্রানমন্ত্রনালয়ের সর্বরাশিয়ার চিকিত্সকদের জরুরি সহায়তা সেন্টার রক্ষা সেন্টারস্পাস এর  ১০জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে.সেন্টারস্পাস চিকিত্সা সেন্টারের সহকারি প্রধান আলোক্সেই সালনিকব বলেন-আহত এই সব রোগীদেরকে এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী উন্নত চিকিত্সা এবং জটিল অস্ত্রপাচার .আহত এই ৬জনের মধ্যে ৫জনই পিস্তলের বুলেটে আঘাত পেয়েছেন.পাঁচবছরের মেয়টি তার কোমরে গুরুতর আঘাত পেয়েছে.মেয়েটির স্পাইনাল ও স্পাইনাল কর্ড পুরোপুরে অকার্যকর হয়ে পরেছে এবং অন্য এর রোগীর শরীরে ৪০ ভাগই আঘাতপ্রাপ্ত.রশিয়ার প্রেসিডেন্টের আদেশের পরই কিরগিজস্তান রাশিয়ার কাজ থেকে মানবিক সাহায্য পাচ্ছে.রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারী নাতালিয়া তিমাকোবা জানান যে,মেদভেদেব একই সাথে গুরুতর আহতদের চিকিত্সার জন্য মস্কো নিয়ে আসার,ঔষধ সরবরাহ এবং শুকনো খাবার প্রদানের নির্দেশ দেন.১১জুন শুক্রবার রাতে কিরগিজস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের ওশ শহরে উজবেক ও কিরগিজদের জাতিগত দ্বন্দ্বের কারণে  সংঘর্ষ দ্রুত শহরে ছড়িয়ে পড়ে.শহরের চারিদিকে ব্যারিকেট বসানো হয়েছে এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনী স্পর্শকাতর স্থানে ভারী অস্ত্র নিয়ে টহল দিচ্ছে তবে পুরো শহর জুড়ে এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে.জারি করা হয়েছে কার্ফিউ.সরকারি তথ্যমতে সংঘর্ষে ৮০ জন নিহত ও ১০০০ এরও বেশী লোক আহত হয়.গতরাতে ওশে তেমন বড়ধরনের কোন হতাহতের ঘটনা ঘটে নি.ঐ সময় অবশ্য জালালা-আবাদ শহরের রাস্তায় ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা যায় এবং রাস্তায় সংঘবদ্ধ লোকদের ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়.এদিকে আজ থেকে কিরগিজস্তানের অন্তর্বতি সরকার  সহিংসতা দমনে বিক্ষোভকারীদের দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছেন.কিরগিজস্তানের অস্থায়ী সরকার রোজা আতুনবায়েবা ওশে সৃষ্ট ঘটনার পর দেওয়া বিবৃতিতে বলেন যে, পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের পক্ষে সম্ভব না,সেই কারনেই আমরা রাশিয়ার কাছে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক সহায়তা চেয়েছি.দিমিত্রি মেদভেদেব ব্যখ্যা করেন যে,রাশিয়া তখনই সামরিক সহায়তা প্রদান করবে যখন কিরগিজস্তান তার সীমান্ত রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে.