তেহেরান ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব যা ইরানের দিকে সম্পর্ক প্রবৃদ্ধি করবে.জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ইরানের পারমানবিক প্রকল্পর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের গতকালকের ভোটাভুটির পর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক রাষ্ট্রীয় বিবৃতিতে এ কথা বলেন. পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ইরানের ওপর বুধবার চতুর্থ দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে ভোট দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ.প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১২ টি এবং বিপক্ষে ছিল ২টি ভোট. তুরস্ক ও ব্রাজিল প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে. আর লেবানন ভোট দানে বিরত ছিল.এই প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দোগে গ্রহন করা হয় যা ছয় জাতি পরবর্তিতে একমত হয়ে ইরানের ইউরিনিয়াম সমৃদ্ধকরনের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব গ্রহন করে.জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি বিতালি চুরকিন বলেন,মস্কো বিশ্বাষ করেছে যে,নতুন এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবকে তেহরান স্বাভাবিকভাবেই মেনে  নেওয়া যা আরও একটি আশাবাদী সংকেত যা ছয় জাতিবিশিষ্টি আন্তর্জাতিক গোষ্ঠি চেয়েছিল  

0রাশিয়া শুরু থেকেই ছয় জাতির অন্তর্ভুক্ত থেকে জাতিসংঘের নিরাপত্তার স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হিসাবে এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের কার্যলিপি অনুসরন করেই কাজ করেছে.আমরা মনে করি যে,এই নিষেধাজ্ঞা সে বিষয়টিকেই তুলে ধরেছে যা ইরানের প্রশ্নে মতবিরোধ সৃষ্টি করছে.আর এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব যে ইরানের নাগরিকদের মানসিক অবস্থা যে পুরোপুরি ভাল অবস্থায় রাখবে তাও বলা যাচ্ছে না. এই নিষেধাজ্ঞা অবশ্যই

 

0মেনে নেওয়া যা ইরানের হ্যাঁ সূচক উত্তর অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে উত্তরন পাওয়া.

চীনের পক্ষ থেকেও সম্পূরক সূচক জবাব পাওয়া গেছে যা এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের পক্ষে.চীন মনে করে যে,ইরানের পারমানবিক সমস্যা শুধুমাত্র আলোচনা সাপেক্ষেই সমাধান করা সম্ভব.যুক্তরাষ্ট্র জানায় যে, এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে ইরানের জন্য সর্বদাই দরজা খোলা থাকবে.একই সাথে ওয়াশিংটন মনে করছে যে,ইরানকে তার পারমানবিক প্রকল্প থেকে সরিয়ে আনার জন্য একমাত্র পথ ছিল এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব.  রাশিয়ার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিভাগের সদস্য ব্লাদিমীর আবোরচেব রেডিও রাশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন,এই নিষেধাজ্ঞা উভয় পক্ষের মাঝেই জটিল সম্পর্ক সৃষ্টি করবে.ওদিকে ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানদের মানসিক অবস্থা এবং দৃষ্টিভঙ্গি যা স্বাভাবিকভাবে এই ঘোষনাকে না মেনে নেওয়ারই অনুরুপ.এই কারনে এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব যা অনেক গূরুত্বপূর্ণ এবং কূটনৈতিক আলোচনার পথ থেকে আমাদের পিছ পা হওয়া যাবে না.যে কোন অবস্থায় এই পরিস্থিতি আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশকারি প্রতিটি পক্ষকেই একটি টেবিলে আলোচনায় অংশ নিতে হবে.এমনই ধারনা করছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের প্রাচ্য কূটনৈতিক একাডেমিক সেন্টারের পরিচালক আনন্দ্রেই বালোদিন.তিনি বলছেন-ইরান এবং পশ্চিমাদের সবাইকেই সমান সমান স্থানে অবস্থান করতে হবে.ইরান সেই দেশ না যার সাথে শর্তসাপেক্ষে কথা বলা যায় বরং তা সংশয়.উপরন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কারণে ইরান এখন কিছুটা বাড়তি পরীক্ষা চালাচ্ছে.আমি করি যে, মার্কিন সরকার প্রশাসন পুরো বিষয়টিতে উপরের সারিতে অবস্থান করে এর বাস্তাব সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে.যে বিষয় নিয়ে অপেক্ষা ছিল তা হল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে গৃহিত নতুন এই নিষেধাজ্ঞা বিষেয়ে ইরানের দেওয়া কঠোর বিবৃতি.ইরানের রাষ্ট্রপতি মাহামুদ আহমেদানিজাদ বলেন যে, এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবনা যা ব্যবহ্রত টিস্যু পেপারের মতই ডাষ্টবিনে নিক্ষেপ করবেন. আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থায় (ইএইয়েআ) নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি আলি আসগার সাল্তানি বলেন যে, তার দেশ পারমানবিক প্রকল্পের কাজ বন্ধ করবে না.যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানের পারমানবিক প্রকল্প বন্ধ করার কথা বলছে না, বরং চাচ্ছে যে, ইরান তার পারমানবিক প্রকল্প যে যুদ্ধের জন্য ব্যবহার করবে না তার প্রমানপত্র.