৬ জুন রাশিয়া উদযাপন করে পুশকিন দিবস .এ বছর পালিত হচ্ছে কবির ২১১তম জন্মবার্ষিক .এখনও লোকমুখে তর্ক বিতর্ক চলছে,পুশকিনের বিশেষত্ব কি?.কিভাবে তিনি এত প্রতিভাযশ পেলেন,যার ভাগ্য অনেকটা নাটকের মত ছিল.রেডিও রাশিায়াকে দেওয়া সাক্ষাতকারে নিজের এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মস্কোর কবি, পুশকিনের প্রবন্ধের পাঠক ব্লাদিলসেব আতরোশিনকো.ব্যক্তি এবং কবি হিসাবে পুশকিন ছিলেন অসাধারন আর এই দুটি গুনাবলী একই সাথে তার ভিতর বসবাস করেছে.তিনি ছিলেন প্রথম পেশাধারী রুশি লেখক যিনি লিখতেন অর্থ উপার্জনের জন্য এবং সাহিত্যকে নিয়েছেন পেশা হিসাবে যা অনেক আগেই ইউরোপে ছিল .সাহিত্য তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কিন্তু জীবনের উর্ধে নয়.পুশকিনের জীবন বলতে ছিল তার পরিবার,সন্তান ও বন্ধু-বান্ধব.তিনি জীবন অতিবাহিত করেছেন একজন বিত্তবান পুরুষের মত,বন্ধুর মত,পরিবারের প্রধান কর্তা ও সর্বোপরি একজন পেশাধার লেখকের মত.পুশকিন তার লেখনির দ্বারা ভাল অর্থই উপার্জন করতেন এবং তার জন্য সেই অর্থ যথেষ্ট বলেই বিবেচিত ছিল.কবি রুশ সাহিত্যকে একটি শক্ত ভিত্তিতে নিয়ে গিয়েছেন.   ব্লাদিলসেব আতরোশিনকো একই সাথে পুশকিনের অন্যান্য দিক নিয়েও কথা বলেন.রুশ সাহিত্যের জন্য পুশকিন কী করছেন সেই বিষয়ে স্বংয় পুশকিনও অবগত ছিলেন.বেশ কিছু বছর আগে আমি ইতালিয়ান লেখক মারিউ কারামিতির সাথে আলাপ করি ,তিনি পুশকিনের কবিতা দলপতির কন্যনিহত ইবান পেটরোবিচ  বেলকিনের লেজ ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ করেছেন.অনুবাদ ছিল অসাধারন এবং তা দারুন সাফল্য অর্জন করেছে.আমাকে মারিউ কারামিতি প্রশ্ন করেছিলেন যে, পুশকিনের সাহিত্যকর্ম অনুবাদের সময় কি কোন অপ্রচলিত ভাষা ব্যবহার করা জরুরি না কি নয় ?.আমি উত্তরে বলেছিলাম যে, যদিও পুশকিন ২০০ বছর পূর্বে এ সব কবিতা লিথেছিলেন কিন্তু তা সবই এখনও বর্তমান সময় গ্রহনযোগ্য, তা শুধুমাত্র ধারনা আর মনোভাবের জন্যই নয় বরং ভাষাগত দিক থেকেও. ব্লাদিলসেব আতরোশিনকো তার সমাপনী বক্তব্য বলেন , রুশ ভাষায় কথা বলে এমন লোকজনের সাথে পুশকিনের কোন দূরত্ব  নেই আর তাই হল পুশকিনের বিশেষত্ব.