মেক্সিকো উপসাগরে ক্ষতিগ্রস্ত তেলের খনি থেকে ক্রমাগত তেল বের হওয়ার বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে. মঙ্গলবার বি.পি. কোম্পানিতে জানানো হয়েছে যে, বর্তমানে উপসাগরে বের হওয়া তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ ট্যাঙ্কারে পাম্প করা সম্ভব হচ্ছে. আপাতত কোম্পানি এক মাস আগে ড্রিলিং প্ল্যাটফর্মে ঘটা বিপর্যয়ের কুপরিণতির সাথে সম্পূর্ণভাবে যুঝে উঠতে পারছে না. এ জন্য মার্কিনী কর্তৃপক্ষ উপসাগরের প্রায় ১৯ শতাংশ ফেডারেল জল-এলাকায় মাছ ধরা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে. বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, ভাসমান তেল ৫-৬ দিন পরেই পৌঁছোবে ফ্লোরিডা কিজ দ্বীপপুঞ্ঝে, আর তার পাঁচ দিন পরে অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে বিশ্ববিখ্যাত মায়ামি স্বাস্থ্যনগরীর এলাকায় পৌঁছোবে.