কির্গিজিয়ায় সংবিধানের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রস্তাব পেশ করা এবং আলোচনা আজ থেকে শেষ হচ্ছে, জানানো হয়েছে সাময়িক সরকারের প্রেস-সার্ভিসে. কয়েক সপ্তাহ আগে আহূত সাংবিধানিক সম্মেলন, যাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক পার্টি, সামাজিক সংস্থা, মানব অধিকার রক্ষার আন্দোলন ও রাষ্ট্রীয় বিন্যাসের ৭৫ জন প্রতিনিধি দীর্ঘ বিতর্কের পর বুনিয়াদী আইনের চূড়ান্ত ধরন প্রণয়ন করেন, যা ২৭শে জুন গণভোটে উথ্থাপিত হবে. প্রণেতারা সিদ্ধান্ত নেন সংবিধানে সেই ধারা বজায় রাখার, যাতে বলা হয়েছে যে, কির্গিজিয়া হল ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র, আর রুশ ভাষা সরকারী ভাষার স্থিতি বজায় রাখছে. এ খসড়া সার্বজনীন অনুমোদন পেলে প্রজাতন্ত্রে প্রবর্তিত হবে রাষ্ট্রপতি ও পার্লামেন্টারী শাসন ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রনেতার ক্ষমতা যথেষ্ট সীমিত থাকবে. বিশেষ করে, মন্ত্রীপরিষদ গঠন এবং প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের অধিকার চলে আসবে গণ-প্রতিনিধিদের হাতে. আর পার্লামেন্ট নির্বাচিত হবে পার্টি তালিকা অনুযায়ী.