সোমালির উপকূলের কাছে জলদস্যুতার সমস্যা মীমাংসা সম্ভব শুধু এ দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মাধ্যমে, বুধবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এ সম্পর্কে বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধির প্রথম সহকারী আলেক্সান্দর পানকিন. তাছাড়া তিনি মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন যে রিপোর্ট তৈরি করছেন তার কথা, যাতে জলদস্যুদের বিধানিক শাস্তি দানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব রয়েছে. এ রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, যা রাশিয়ার উদ্যোগে ২৭শে এপ্রিল গৃহীত হয়েছিল. ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের ফলে সোমালি কয়েকটি আধা স্বায়ত্তশাসিত বিন্যাসে বিভাজিত হয় এবং দেশ বিশৃঙ্খলায় ডুবে যায়. এ সব কিছু এ দেশের উপকূলের কাছে জলদস্যুতা প্রস্ফুরণের জন্য বনিয়াদ সৃষ্টি করে. আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে সোমালির জলদস্যুরা ২১৭ বার হানা দিয়েছিল এবং ৪৭টি জাহাজ দখল করেছিল.