ইরান নিজের মহাকাশ কর্মসূচির কাঠামোতে কক্ষপথে ছয়টি স্পুতনিক পাঠাতে চায়. প্রথমটি পাঠানোর পরিকল্পনা আছে আগামী বছরে, বলেছেন টেলি-কমিউনিকেশন মন্ত্রী রেজা তাকিপুর. তাঁর কথায়, তাছাড়া দেশে বাহক-রকেট পাঠানোর জন্য অতিরিক্ত ক্ষেপণ চত্বর নির্মাণের পরিকল্পনা আছে. বর্তমানে আছে শুধু একটি ক্ষেপণ চত্বর. সেখান থেকই ইরান নিজের প্রথম স্পুতনিক ক্ষেপণ করেছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারীতে. স্পুতনিকটির নাম ছিল "ওমিদ" এবং তা এক মাসেরও বেশি সময় কাজ করার পর বায়ুমণ্ডলে পুড়ে যায়. তখন ইরানের কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছিলেন যে, স্পুতনিকের মিশন সফলভাবে শেষ হয়েছে. এই "ওমিদ" ছিল প্রখম স্পুতনিক, যা ইরানী বিজ্ঞানীরা নিজেরাই স্বতন্ত্রভাবে তৈরি করে বাহক-রকেটের সাহায্যে কক্ষপথে পাঠিয়েছিলেন.