ব্রেজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, ভারত ও চীন এ বছরেই বিশ্ব জনসমাজের দ্বারা বিশ্বব্যাপী আবহাওয়া পরিবর্তন প্রতিরোধ সংক্রান্ত বাধ্যতামূলক চুক্তি গ্রহণের পক্ষে মত প্রকাশ করছে. এই চারটি দেশের প্রতিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত মন্ত্রীদের সম্মেলনের ফলাফলের ভিত্তিতে আজ কেপটাউনে তত্সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র প্রচারিত হয়েছে. এমন চুক্তি গ্রহণ করা যেতে পারে এ বছরের শেষে মেক্সিকোর কানকুন শহরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের একোলজিক্যাল সম্মেলনে, উল্লেখ করা হয়েছে দলিলে. ভবিষ্যতের চুক্তিতে মুখ্য জোর দেওয়া উচিত বায়ুমণ্ডলে গ্রীন-হাউজ গ্যাস নির্গমণ কমানোর প্রতি এবং বিশ্ব আবহাওয়া পরিবর্তনের কুপরিণতির বিরুদ্ধে সংগ্রামে গরীব দেশগুলিকে সাহায্য করা , জানাচ্ছে ইতার-তাস সংবাদ সংস্থা. ১৯৭৭ সালে স্বাক্ষরিত কিওটো প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০১২ সালে. তার উদ্দেশ্য ছিল শিল্পোন্নত দেশগুলির দ্বারা গ্রীন-হাউজ গ্যাসের নির্গমণ সীমিত করা. কোপেনহেগেনে সাম্প্রতিক সম্মেলনে শতাধিক দেশ অবাধ্যতামূলক চুক্তি সম্পাদনের ধারণা সমর্থন করেছে, এই শর্তে যে শিল্পায়নপূর্ব যুগের তুলনায় এখন বিশ্বব্যাপী আবহাওয়া গরম হওয়া দুই ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডেই সীমিত রাখা হবে এবং ২০২০ সাল পর্যন্ত আবহাওয়া গরম হওয়ার বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলিকে ১০০০০ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হবে.