বিশেষজ্ঞরা একমত যে, রাশিয়ার প্রকল্প অনুযায়ী নির্মিত পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র গুলিতে চেরনোবিল পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের মত কোন রকমের দুর্ঘটনা হওয়া সম্ভব নয়. রাশিয়ার বিজ্ঞান একাডেমীর অন্তর্গত পারমানবিক শক্তির নিরাপদ উন্নয়ন সংক্রান্ত ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর লিওনিদ বলশোভ বলেছেন যে, সমস্ত সোভিয়েত ও রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের সময়ে নির্মিত পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র গুলিতে যথেষ্ট রকমের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে এই সমস্ত পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র গুলিতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাস্তবে নেই. পারমানবিক বিশেষজ্ঞদের মতে একই সঙ্গে রাশিয়াতে চেরনোবিলের দুর্ঘটনার পর পারমানবিক বিভ্রাট নিয়ে সমস্ত রকমের গবেষণা শেষ করা হয়েছে এবং পরিবেশ ও মানুষের উপর তার প্রভাব পরীক্ষা করে বোঝা সম্ভব হয়েছে. ২৬ শে এপ্রিল ১৯৮৬ সালে ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে  মানুষের বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি জাত দুর্ঘটনা ঘটেছিল, কয়েকটি তাপ উত্পাদিত বিস্ফোরণে রিয়্যাক্টর ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল. বিশেষজ্ঞ দের মতে পরিবেশে পারমানবিক পদার্থ বেরিয়ে পড়েছিল প্রায় পাঁচশ টি ১৯৪৫ সালে হিরোসিমার উপর আমেরিকার ফেলা পারমানবিক বোমার সমান. পারমানবিক ভাবে সক্রিয় মেঘ এই দুর্ঘটনার ফলে উদ্ভূত হয়ে ইউক্রেন, বেলোরাশিয়া, রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে, গ্রেট ব্রিটেনে এমন কি পূর্ব আমেরিকার উপরেও গিয়েছিল. সরকারি পরিসংখ্যানে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলেন, আজ সারা বিশ্বে মানুষ সেই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্থ দের এবং যারা ত্রাণের কাজে গিয়েছিলেন, তাঁদের স্মরণ করছেন.