ধর্মীয় কূটনৈতিকতা বিভিন্ন দেশ ও রাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার একমাত্র উপায় হতে পারে.এমনই শিরোনাম নিয়ে বাকুতে আগামী ২৬-২৭ এপ্রিল ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ২য় আন্তর্জাতিক সম্মেলন.সম্মেলনে বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন আর্মেনিয়ার প্রধান অর্থডক্স গির্জার প্যাট্রিক ক্রিল ২য় গারেগিন.
বিশ্বের সুশীল সমাজ প্রায় দুই দশক ধরে আজারবাইজানে গারেগিনের এই সফরের জন্য অপেক্ষা করছিল.আর্মেনিয়ার প্রধান অর্থডক্স গির্জার প্যাট্রিক ক্রিল ২য় গারেগিন এই ধর্মীয় সম্মেলনে যোগদান ছাড়াও কাবকাজের মুললিম ধর্মীয় নেতা শেক-উল-ইসলামের সাথে সাক্ষাত করবেন.
আয়োজিত এই সম্মেলনকে বলা যেতে পারে “শান্তির পথে,সম্মেলন-ধর্মীয় কূটনৈতিকতার ”.এমন মতামত জানালেন সম্মেলন আয়োজন কমিটির সদস্য এবং ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ রমান সিলান্তেব.তিনি বলেন,সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু হবে যে, ধর্মীয় নেতারা একটি শান্তির পথ খুঁজে বের করবেন যেখানে কোন হানাহানির স্থান থাকবে না.কখনই রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়.ধর্মীয় নেতারা বিভিন্ন দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনে অপরিসীম অবদান রাথতে পারে .যেমন উদাহরন হিসাবে আমরা রুশি অর্থডক্স খ্রিষ্টীয় সম্প্রদায়ের সাথে জর্জিয়ার সম্পর্ক.তাদের মধ্য রয়েছে অভিন্ন সংলাপ,এক চিন্তাধারা.গত ২০০৮ সনে দক্ষিন ওসেতিয়ার সেই যুদ্ধের বিভিষিকাও তাদের সম্পর্কে কোন ফাটল ধরাতে পারে নি.
সম্মেলনে চুড়ান্তভাবে গৃহিত সিদ্বান্তগুলি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে.সম্মেলনে স্বাধীন কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহ ছাড়াও জর্জিয়া,গ্রিস,ফ্রান্স,সার্বিয়া,ইরান,ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় নেতারা অংশ নিবেন.