মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তান আবারও অশান্ত হয়ে উঠছে.ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাকিয়েভের নিয়ন্ত্রিত দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা জালালাবাদে কিছু খন্ড খন্ড বিক্ষোভের সংবাদ পাওয়া গেছে.বাকিয়েবের সমর্থকরা জালালাবাদের একটি টেলিভিশন কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাষন নতুন অন্তর্বর্তী সরকারেরকে প্রত্যাখান করেছে.
কিরগিজস্তানের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে গতকাল থেকেই ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে বাকিয়েব সমর্থকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে. কিরগিজস্তানের অন্তর্বর্তী সরকার বাকিয়েবর ছোট ভাই ও প্রেসিডেন্ট গার্ডের সাবেক প্রধান জানিবেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করার পরই এই অশান্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়. ইতিমধ্যে পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট কুরমানবেক বাকিয়েভের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে. বাকিয়েভের শীর্ষস্থানীয় সহযোগীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে.
এদিকে কিরগিজস্তানের এই পরিস্থিতি নিয়ে আমরা কথা বলি স্বাধীন কমনওয়েলথ ইন্সটিটিউটের সহকারি প্রধান ভ্লাদিমীর জারিকীনের সাথে.তিনি বলেন-
এই নতুন সংঘাত কিরগিজস্তানকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে,যে বিষয়ে ইতিমধ্যে আভাষ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ.সত্যিই এটা চিন্তার বিষয়.আমার কাছে এখন যে বিষয়টি মনে হয় তা হল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে সবার আগে
রাশিয়া ও কাজাকিস্তানকে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে যেন এই পরিস্থিতি আবারও না ঘটে .আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়তে সবচেয়ে বেশী কর্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে যাদেরকে কিরগিজস্তানের
অন্তর্বর্তী সরকার এবং বাকিয়েবের সহযোগীদের সাথে আলোচনা করে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে.
তা না হলে পরিস্থিতি এর থেকেও আরও বেশী ভয়ংকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে.
এদিকে কিরগিজস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট কুরমানবেক বাকিয়েব বর্তমানে কাজাকিস্তানেক আলমা-আতে পালিয়ে আছেন বলে এক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়.তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, তিনি বেলারুশ বা তুরস্কে যেতে পারেন.বাকিয়েব শুক্রবার এক ঘোষণায় প্রেসিডেন্ট পদ থেক সরে দাড়িয়েছেন.
উল্লেখ্য গত ৭ এপ্রিল কিরগিজস্তানে প্রেসিডেন্ট হটাও আন্দলনে রাজধানী বিশকেকে ৮৩ জন নিহত হয় এবং আহত হয় অন্তত ১৬০০ জন.

<sound>