আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির কমিশন সোচী শহরের সমস্ত নির্মাণ ক্ষেত্র দেখে বেশ প্রভাবিত হয়েছে. শহরটি ২০১৪ সালের শীত অলিম্পিকের জন্য তৈরী হচ্ছে বলা যেতে পারে সত্যি কারের অলিম্পিক গতিতে. ৪৩টি জায়গায় একসাথে নির্মাণ কাজ চলছে ও আরও ১৫৩টি জায়গায় প্রকল্পের প্রাথমিক কাজকর্ম করা হচ্ছে. এই শত বর্ষের মধ্যে একবার হওয়ার মত নির্মাণ কাজে বিনিয়োগ করেছে সরকার ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ কারীরা. এই বছরে কাজের জন্য প্রায় ৬০ বিলিয়ন রুবল (২ বিলিয়ন ডলার) খরচ করা হবে. সমস্ত কাজই হচ্ছে পরিকল্পনা মতই, টেলি কনফারেন্সের সময়ে ভ্লাদিমির পুতিন সোচী শহরে অবস্থিত কমিশনের প্রতিনিধিদের এই কথা বলেছেন.

    "আমরা পুরোপুরি পরিকল্পিত অর্থ দিচ্ছি, বলা যেতে পারে এই বিষয়ে কোন রকমের দেরী করা হচ্ছে না. ২০১০ সালে জাতীয় কোষাগার থেকেই শুধু দেওয়া হবে ৩৯ বিলিয়ন ৭০০ মিলিয়ন রুবল".

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির বিশেষজ্ঞরা এর মধ্যেই ৩০ টি জায়গা দেখেছেন., যেখানে সারা দিন রাত ধরেই কাজ হচ্ছে. কমিটির প্রধান জান ক্লদ কিল্লি বলেছেন, আগে যা আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল এবং যা বাস্তবে হয়েছে তা, সম্পূর্ণ ভাবে মিলেছে. এই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে কোন উচ্চ মূল্যায়ণ পাওয়া খুবই কঠিন. তাই তাদের ইতিবাচক কথা শুনে খুবই ভাল লেগেছে. রেডিও রাশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে রাশিয়ার অলিম্পিক কমিটির জন সংযোগ দপ্তরের প্রধান গেন্নাদি শেভত্স বলেছেনঃ

    "আন্তর্জাতিক কমিটির সদস্যরা, যারা এই ধরনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে থাকেন, তারা যথেষ্ট খুঁত খুঁতে. যখন আমি তাঁদের সঙ্গে অন্যান্য অলিম্পিক শহর, যেমন, এথেন্স, তুরিন, সল্ট লেক সিটি এই সব জায়গায় গিয়েছিলাম, তখন দেখেছিলাম কমিটির লোকেরা প্রচুর মানে আছে এই সব বিষয়ে প্রশ্ন করে থাকেন, তাই সোচীকে তাঁদের দেওয়া এই ইতিবাচক নম্বর আমাকে আশান্বিত করেছে".

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির কমিশন এখানের পরিবেশ সম্বন্ধেও ইতিবাচক কথাই বলেছেন, যা অলিম্পিকের নির্মাণের সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না. এই অঞ্চলের জীব জগতের জন্য  এখানে বহু প্রকল্প করা হয়েছে, অংশতঃ এখানে উত্তর ককেশাসে চিতা বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে. এই পরিকল্পনার ফলে খুবই শীঘ্র ভবিষ্যতে সোচীর সংরক্ষিত অরণ্যে কিছু আরও জীব জন্তু বৃদ্ধি পেতে চলেছে, ইরান থেকে কিছু চিতা বাঘ আনা হচ্ছে. পরিবেশ সংরক্ষণ আমাদের জন্য একটি প্রাথমিক কাজ – বলেছেন ভ্লাদিমির পুতিন. তিনি যোগ করেছেন — আমরা শুধুমাত্র প্রকৃতি সংরক্ষণই করছি না, বরং সেই সব গুলিও আবার পুনর্সংস্থাপন করছি, যা মানুষের কাজের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল.