নিউ-ইয়র্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ষষ্ঠীদেশেরস্থায়ী প্রতিনিধিরা ইরানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বাধানিষেধ প্রবর্তনের সম্ভাবনা সংক্রান্ত খসড়া সিদ্ধান্তের বয়ান আলোচনা করতে শুরু করেছেন, সাক্ষাতের পরে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে ফ্রান্সের স্থায়ী প্রতিনিধি জেরার আরো. তাঁর কথায়, শিগগিরই রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট-বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও চীন এ প্রশ্নে পরামর্শ ক্রমানুবর্তন করবেন. আলাপ-আলোচনার সাথে ঘনিষ্ঠ কূটনীতিজ্ঞের কথায়, প্রস্তাব করা হচ্ছে ইস্লামিক বিপ্লবের রক্ষীবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের, এবং তাছাড়া, সামুদ্রিক মাল-পরিবহণ, ব্যাঙ্ক ও বীমা ক্ষেত্রে এবং বিদ্যুত্শক্তি ও জ্বালানীর ক্ষেত্রে বাধানিষেধ আরও কঠোর করার. আগে রাশিয়া ও চীনের কূটনীতিজ্ঞরা আজকের আলোচনাকে গঠনমূলক বলে অভিহিত করেছেন, কিন্তু এর পরে আর কোনো মন্তব্য করেন নি. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাশ্চাত্যের একসারি দেশ ইরানকে সন্দেহ করছে শান্তিপূর্ণ পরমাণুর কর্মসূচির আড়ালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার এবং তাই তার বিরুদ্ধে নতুন বাধানিষেধ প্রবর্তন করার. রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ আগের বছরগুলিতে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে বাধানিষেধ প্রবর্তন করেছিল ইউরেনিয়াম পরিশোধন ত্যাগ করার দাবি জানিয়ে. তেহেরান সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে, এ কথা ঘোষণা করে যে, তার পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ চরিত্রের. রাশিয়া মনে করে যে, এ সমস্যা কূটনৈতিক উপায়ে মীমাংসা করা উচিত এবং সবচেয়ে ভাল- বাধানিষেধ প্রবর্তন ছাড়াই, তবে স্বীকার করে যে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্বচ্ছ নয়. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ ওয়াশিংটনে ব্রুকিঙ্গস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতা দিয়ে বলেন যে, তিনি চান না ইরানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বাধানিষেধ প্রবর্তন করা হোক, কিন্তু মানেন যে, তা অবশ্যাম্ভাবী হয়ে উঠতে পারে.