কির্গিজিয়ার রাষ্ট্রপতি কুর্মানবেক বাকিয়েভ এ সম্ভাবনা বাদ দেন না যে, রাজধানী সরিয়ে আনা যেতে পারে প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণাঞ্চলে- জালাল-আবাদ অথবা ওশ শহরে. সাংবাদিকদের দেওয়া ইন্টারভিউতে তিনি বলেন যে, নিরস্ত্র লোকেদের গুলি করার নির্দেশ তিনি দেন নি, আর রক্তক্ষয়ী ঘটনাবলির জন্য পুরো দায়িত্ব তিনি আরোপ করেন বিরোধী পক্ষের নেতাদের উপর. একই সঙ্গে কির্গিজিয়ার সাময়িক সরকারের নেত্রী রোজা ওতুনবায়েভা বলেন যে, বাকিয়েভের জন্য. যিনি এখন কির্গিজিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে নিজের তেইইত গ্রামে রয়েছেন, ভাল হবে প্রজাতন্ত্র ছেড়ে যাওয়া. তাঁর কথায়, হতাহত এড়ানোর জন্য কির্গিজিয়ার নতুন নেতৃবৃন্দ বল প্রয়োগ করে তাঁকে ধরবে না. ৬ই এবং ৭ই এপ্রিল কির্গিজিয়ায়ব্যাপক রাষ্ট্রপতিবিরোধী আন্দোলন হয়. গুলি চালানো এবং মিলিশিয়ার সাথে সঙ্ঘর্ষে নিহত হয়েছে ৮০ জনের উপর, প্রায় দেড় হাজার জন আহত হয়েছে.আন্দোলনের কারণ ছিল কুরুলতাই বা জনসভা আয়োজনে কর্তৃপক্ষের নিষেধ এবং বিরোধীপক্ষের নেতাদের গ্রেপ্তার. রাষ্ট্রপতি, ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লবের পরে ক্ষমতায় এসেছিলেন, এবং এখন তিনি বিশকেক ছেড়ে গেছেন, আর বিরোধীপক্ষ রোজা ওতুনবায়েভার নেতৃত্বে সাময়িক সরকার গঠন করেছে.