রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ পারমাণবিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন. এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছে ৪৭টি দেশ, এবং তাছাড়া, রাষ্ট্রসঙ্ঘ, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সি ও ইউরোসঙ্ঘ. এ শীর্ষ সম্মেলনের উদ্দেশ্য হল পারমাণবিক বস্তুর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা, তা যেন এমন লোকেদের হাতে না পড়ে, যারা তা সন্ত্রাসবাদী অথবা অন্য কোনো অপরাধজনক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে সক্ষম. এ সম্মেলন ১৯৪৫ সালে সান-ফ্রান্সিসকোতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা সম্মেলনের সময় থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়ে উঠতে পারে. আজ সন্ধ্যায়, মস্কোয় যখন বুধবার হয়ে যাবে, রাশিয়ার রাষ্ট্রনেতা ব্রুকিঙ্গস ইনস্টিটিউটের রাজনীতি-শিক্ষা কেন্দ্রে বক্তৃতা দেবেন এবং পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার নিরোধ সম্পর্কে রাশিয়ার স্থিতি ব্যাখ্যা করবেন. তার মর্ম হল এই য়ে, বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক নিরাপত্তা সব রাষ্ট্রের শুধু যথাযথ ফলপ্রসূ জাতীয় ব্যবস্থার বিদ্যমানতায় সুনিশ্চিত করা যেতে পারে না. রাশিয়ার ভূভাগে সমস্ত পারমাণবিক বস্তু এবং তত্সংক্রান্ত সরঞ্জামের নির্ভরযোগ্য রক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হয়েছে. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সহকারী সের্গেই প্রিখোদকো জানিয়েছেন যে, রাশিয়া পারমাণবিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিজের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূর্ণভাবে পালন করছে. পারমাণবিক বস্তুর কায়িক সংরক্ষণের কনভেনশনে সে অংশগ্রহণ করছে, আর তাছাড়া পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের আন্তর্জাতিক কনভেনশন গ্রহণে উদ্যোক্তা ছিল এবং অন্যতম প্রথম এ দলিল অনুমোদন করেছে. ২৯শে মার্চ রাশিয়া ও আন্তর্জাতির পারমাণবিক শক্তি এজেন্সি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাশিয়ার ভূভাগে নিম্ন পরিশোধিত ইউরেনিয়ামের গ্যারান্টিকৃত ভাণ্ডার গঠনের. শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফলের ভিত্তিতে দুটি দলিল গৃহীত হবে বলে মনে করা হচ্ছেঃ যৌথ বিবৃতি এবং কাজের পরিকল্পনা. অনুমান করা হচ্ছে যে, এ শীর্ষ সম্মেলনের কাঠামোতে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী দেশ পারমাণবিক নিরাপত্তা বিষয়ে জাতীয় স্মারকলিপি প্রচার করবে.