ওয়াশিংটনে আজ থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী পরমানু অস্ত্রের নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন. পরমানু বিষয়ক এ সম্মেলনে বিশ্বের ৪৭ টি দেশের নেতারা অংশ নিচ্ছে.গতবছর ইতালিতে অনুষ্ঠিত জি-৮ সম্মেলনে ওয়াশিংটনে পরমানু বিষয়ক এ সম্মেলন আয়োজনের এক ঘোষণা দেওয়া হয়.
ওয়াশিংটনে পরমানু বিষয়ক এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যার কিছুদিন পূর্বেই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র পরমানু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সই করে.বিশ্বের পরমানু অস্ত্রের মজুদের দিক দিয়ে শীর্ষ দুটি দেশ হচ্ছে এই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র্ .
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আহবানে বিশ্ব নেতাদের উপস্থিতিতে এই সম্মেলনকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত গূরুত্বপূর্ণ মনে করছেন .সম্মেলনে একই সাথে জাতিসংঘ,আন্তর্জাতিক পরমানু শক্তি কেন্দ্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে. পরমাণু অস্ত্র যাতে জঙ্গিদের হাতে না পড়ে তা নিশ্চিত করার বিষয়ে নেতারা সম্মেলনে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারবেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আশা প্রকাশ করেছেন .
ওয়াশিংটনের এই পরমানু সম্মেলন বিষয়ে আমরা কথা বলি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের সংঘাত ও বিপর্যয় বিভাগের উপ সহকারি আলেকসান্দ্রার পাকায়েবের সাথে.তিনি বলেন-“এই সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে যে কোন ভাবেই পরমানু অস্ত্র তৈরীর নকশা ও প্রযুক্তি যেন অন্য কোন দেশের কাছে না চলে যায় যারা কখন পরমানু অস্ত্র বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেনে এবং একই সাথে এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে তা হলে জঙ্গি দলের কাছেও যেন পরমানু অস্ত্র তৈরির সরঙ্গজাম না পৌছাঁয়”.
সেই পেক্ষাপটের দিক দিয়ে ওয়াশিংটনের এই দুই দিনের পরমানু সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা এই বিষয়টি নিশ্চত করবেন.
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনের পরমানু সম্মেলনে যাচ্ছেন না বলে শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন.