কির্গিজিয়ায় প্রজাতন্ত্রের অস্থায়ী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ই ও ৭ই এপ্রিল ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সময় নিহতদের স্মৃতিতে দু দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে. দেশে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে, শোক-অনুষ্ঠান চলছে. শেষ তথ্য অনুযায়ী, গণ আন্দোলনের ফলে নিহত হয়েছে ৭৫ জন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি জন. প্রচার মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিশকেকে পরিস্থিতি জটিল রয়েছে. রাজধানীতে লুঠেরারা এখনও পর্যন্ত তত্পর রয়েছে, তাদের অনেকেই অস্ত্রে সজ্জিত. তারা বড় বড় বাণিজ্য কেন্দ্র এবং কোম্পানির অফিস লুঠ করছে. অস্থায়ী সরকার পুলিশকে অনুমতি দিয়েছে লুঠেরাদের উপর গুলি চালাতে, যদি তারা সশস্ত্র প্রতিরোধ করে. প্রজাতন্ত্রে আন্দোলন শুরু হয় গত মঙ্গলবার তালাস শহরে, তারপরে তা ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য অঞ্চলে. শাসন ক্ষমতা চলে আসে বিরোধীপক্ষের হাতে. অপসারিত রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রীপরিষদের কর্তব্য গ্রহণ করেছে রোজা ওতুমবায়েবার নেতৃত্বে গণ আস্থার সরকার. তিনি, বিশেষ করে, বলেছেন যে, আগামী ছ মাসে প্রধান কর্তব্য হবে- কির্গিজিয়ার সংবিধানে পরিবর্তন আনা, এবং তাছাড়া নির্বাচন এবং রাজনৈতিক পার্টি সংক্রান্ত আইনে. কির্গিজিয়ার রাষ্ট্রপতি কুর্মানবেক বাকিয়েভ বলেন যে, তিনি পদত্যাগ করতে চান না এবং বিরোধীপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনার জন্য প্রস্তুত.