আফিংয়ের বৃহত্তম উত্পাদক আফগানিস্তান গাঁজার বেআইনী উত্পাদনেও ফৃথিবীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে. এর প্রমাণ দেয় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নার্কোটিক ও অপরাধপ্রবণতা সংক্রান্ত বিভাগের তথ্য.বিশেষজ্ঞদের হাতে সঠিক সংখ্যা-তথ্য নেই, তবে তাঁদের আনুমানিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, আফগানিস্তানে ক্যানাবিসের (জংলী ক্যনোপ্লির)চাষের জমির আয়তন বাড়ছে বছরে ২০ হাজার হেক্টরেরও বেশি. সেই সঙ্গে আফগান কৃষকরা আফিংয়ের পপি চাষ করতেও অস্বীকার করছে না. গত বছরে তারা কাঁচা আফিং উত্পন্ন করেছিল ৪৩ কোটি ৮০ লক্ষ জলারের, জানিয়েছে "ইতার-তাস" সংবাদ সংস্থা.রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন যে, ক্যানাবিস এবং আফিং পপির চাষ করা হচ্ছে প্রধাণত সেই সব জায়গায় যেখানে সবচেয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হচ্ছে. বিশ্ব জনসমাজ আফগানিস্তানে নার্কোটিক উত্পাদনের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে. যেমন, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন আগে বলেন যে, আফগানদের জন্য বিকল্প চাষের সম্ভাবনা প্রসার করা উচিত, যাতে তারা আফিং উত্পাদন না করার লাভ অনুভব করতে পারে.