ইরান সংক্রান্ত মধ্যস্থ ষষ্ঠীদেশের (রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, গ্রেট-বৃটেন ও জার্মানি) প্রতিনিধিরা টেলিফোনে আলাপ-আলোচনা করেছেন, যার গতিতে তেহেরানের বিরুদ্ধে বাধানিষেধ প্রবর্তন সংক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব আলোচিত হয়েছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দপ্তরে এক উত্স বুধবার জানিয়েছেন যে, আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন চীনের প্রতিনিধিও, চীন আগে নতুন নতুন  ইরানবিরোধী বাধানিষেধ আলোচনা করতে অস্বীকার করেছিল. তবে, ঐ উত্স বলেন যে, পক্ষগুলি এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদে বাধানিষেধ সম্পর্কে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যাপারে একমতে আসতে পারে নি. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা প্রস্তাবিত ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্যে আছে- ব্যাঙ্ক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, আর তাছাড়া, ইরানকে অস্ত্র সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা পালনের ক্ষেত্রে পরিদর্শনের ব্যবস্থার প্রবর্তন. ইরানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সংলাপের উপর, রাশিয়া ও চীন ছাড়া জোর দিচ্ছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন. বুধবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপে তিনি বলেন যে, তেহেরানের আন্তর্জাতিক জনসমাজকে, সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সিকে দেওয়া দরকার নিজের পারমাণবিক কর্মসূচির শান্তিপূর্ণ চরিত্র সংক্রান্ত সাক্ষ্য প্রমাণ. তবে, এখনও পর্য়ন্ত এ সম্বন্ধে বিশ্বস্ত প্রমাণ নেই, উল্লেখ করেন বান কি মুন.