রাশিয়ার সামরিক বৈমানিকরা সুমেরুর বোর্নেওনামে কেন্দ্রে প্রথম ক্ষেপ মালপত্র পৌঁছে দিয়েছে. বিমান চালনা করে রাশিয়ার বৈমানিকদের অতি অভিজ্ঞ একটি দল. বরফের উপর মালবাহ বিমান নামতে পারে না, আর প্যারাসুটের সাহায্যে মাল নামানোও কার্যকরী নয়, ভীষণ জোর বাতাসের জন্য. তাই মালপত্র নামানো হয় অতি কম উচ্চতা থেকে, বিমান গতিশীল থাকা কালেই. মাল নামানোর কয়েক সেকেন্ড আগেই বিমানটি মুখ উপরের দিকে তোলে, আর পিছনের হ্যাচওয়ে দিয়ে মালপত্র নিজের ওজনেই নেমে আসে. এটা করা হয়েছে এ জন্য, যাতে মালপত্র যথাসম্ভব একসঙ্গে এক জায়গায় নামে, কয়েক কিলোমিটার দূরত্বে ছড়িয়ে না পড়ে. এ অভিযানের আরও একটি বিশেষত্ব হল এই যে, তা পরিচালিত হয়েছিল মেরু-রাত্রির পরিবেশে এবং জটিল আবহাওয়া ও বরফের অবস্থায়. এই বোর্নেও কেন্দ্র সুমেরুতে কাজ করবে তিন মাস ধরে, যতদিন না বরফ গলতে থাকে. প্রধান কর্তব্য হল- আবহাওয়ার পরিবর্তন ও বরফের অবস্থার অধ্যয়ন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো, জানিয়েছে ভেস্তি সংবাদ সংস্থা.