জর্জিয়ার "ইমেদি" নামে টেলিচ্যানেলে কাল্পনিক রুশী আক্রমণ সংক্রান্ত প্ররোচনামূলক রিপোর্টেজকে কেন্দ্র করে কেলেঙ্কারী আন্তর্জাতিক সাড়া জাগিয়েছে. ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের উপর দায়িত্ব আরোপ করার দাবি করেছে যারা এই জাল রিপোর্টেজের সাথে জড়িত ছিল. ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বলা হয়েছে, এটি ছিল অদ্ভুত ও অসঙ্গত উদ্যোগ.দক্ষিণ ওসেতিয়ার নেতা এদুয়ার্দ ককোইতি প্রদর্শিত ব্যাপারটিকে প্ররোচনা বলে অভিহিত করেছে, আর আবখাজিয়ার প্রেসিডেন্ট সের্গেই বাগাপ্শ- অসুস্থ কল্পনার ফল. জর্জিয়ার ক্যাথোলিকোস-প্যাট্রিয়ার্ক দ্বিতীয় ইলিয়া টেলিকোম্পানির ক্রিয়াকলাপে বিক্ষুব্ধ. তিনি বলেন, মানুষ পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত জন্তু নয় এবং টেলিচ্যানেলের তরফ থেকে মানুষ যেন পরীক্ষার লক্ষ্যবস্তু না হয়. জর্জিয়ায় অধিকার রক্ষক ও বিরোধী পক্ষ এ প্ররোচনার ফরমাশদাতা ও তা পালনকারীদের শাস্তি দেওয়ার দাবি করেছে. রাশিয়ায় রাষ্ট্রীয় দুমার আন্তর্জাতিক ব্যাপার সংক্রান্ত কমিটির নেতা কনস্তানতিন কোসাচেভ শনিবারের রিপোর্টেজকে জঘন্য ও নীচ প্ররোচনা বলে অভিহিত করেন. তিনি মনে করিয়ে দেন যে, "ইমেদি" টেলিচ্যানেল সম্পূর্ণভাবে জর্জিয়ার রাষ্ট্রপতির নিয়ন্ত্রণাধীন. ন্যাটো জোটে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি দমিত্রি রগোজিন এই মিথ্যা রিপোর্টেজের প্রতি জোটের নেতৃবৃন্দের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চান. জর্জিয়ার "ইমেদি" টেলিট্যানেলে বিশেষ খবর হিসেবে ঘোষণা করা হয় যে, সাকাশভিলি নিহত এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়েছে. এ ব্যাপারটি যে কাল্পনিক, টেলি-দর্শকদের জানানো হয় অনুষ্ঠানের গোড়ায় ও শেষে ছোট্ট একটি বাক্যে. এ রিপোর্টেজ দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করে, হার্ট-অ্যাটাকের সংখ্যা এবং অ্যাম্বুলেন্স ডাকার ঘটনা ভীষণভাবে বেড়ে যায়.