রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমীর পুতিনের ভারত সফরে এবার সবথেকে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুটি দেশের মধ্যে জ্বালানি ও পারমানবিক শক্তি উন্নয়নের সম্পর্ককে.চুড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ি রাশিয়া ভারতে ১৬টি পারমানবিক প্রকল্প তৈরিতে সাহযোগিতা করবে.তাছাড়া একই সাথে ভারতের প্রোকৌশলীদেরকে রাশিয়ার ইয়ামালে জ্বালানী গ্যাস সংযোগ প্রকল্পে কাজ কারার আমন্ত্রন জানানো হয়.
দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রাশিয়া ভারতে পারমানবিক প্রকল্পের জন্য সবধরনের সাহায্য করতে পারে.এই জন্য রাশিয়া ভারতে ইউরিনিয়াম সরবরাহ এবং প্রযুক্তি প্রদান করতে পারে.অবশ্যই ভারতে যে ইউরিনিয়াম প্রকল্প হতে যাচ্ছে তাতে আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি সংস্থা’র পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন থাকবে.রাশিয়া-ভারতে যৌথ উদ্দোগে পারমানবিক প্রকল্পে কাজ করতে পারে বলে মন্তব্য করছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের দক্ষিন এশিয়া পর্যবেক্ষন সেন্টারের কর্মকর্তা আন্দ্রেই বালোদিন.তিনি বলেন-
প্রথমত,বলার অপেক্ষা রাখে না যে রাশিয়ার ফ্রান্স,যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সাথে এই ক্ষেত্রে প্রতিদ্ধন্দিতা রয়েছে,দ্বিতীয়ত-রাশিয়া দীর্ঘদিন ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে আসছে.তৃতীয়ত-রাশিয়ার পারমানবিক প্রকল্পের রয়েছে গভীর বিশ্বাষ ও নিরাপদ অবস্থান.যা রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিল্লীতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন.
ভারতে পারমানবিক প্রকল্পের কার্যক্রমের প্রাথমিক ধাপে কুদানকুলামে নির্মীত ৪টি পারমানবিক বিদ্যুত্শক্তির এনার্জি-ব্লক নির্মাণে আপাতত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে.
ভ্লাদিমীর পুতিনের ভারত সফরের উল্লেখ্যযোগ্য যে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে তা হল “গ্লোনাস-জি.পি.এস” নেভিগেশন সরঞ্জাম উত্পাদনের জন্য মিলিত রুশ-ভারত প্রতিষ্ঠান গঠন, এবং একসারি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন. সেই সঙ্গে শিল্প ক্ষেত্র, যন্ত্র নির্মাণ, পারমাণবিক বিদ্যুত্শক্তি, টেলি-কমিউনিকেশন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি সংক্রান্ত বেশ কেয়কটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে.
তাই বলা যায় রুশ-ভারত সম্পর্ক এ যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ.