ন্যাটো সোমালির জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান ২০১২ সাল পর্যন্ত বাড়িয়েছে. জোটের প্রতিনিধি জেমস আপ্পাতুরাইয়ের কথা উদ্ধৃত করে ইতার-তাস সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে," জোট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ এ মিশন গুরুত্বপূর্ণ অবদান উপস্থিত করছে এ অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে এবং জলদস্যুদের হানা সফলভাবে প্রতিহত করে". সোমালির ভূভাগীয় জল-এলাকায় সামরিক টহল দেওয়া শুরু হয় ২০০৮ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সম্মতিক্রমে. ন্যাটোর জাহাজ ছাড়া এ অঞ্চলে রয়েছে ইউরোপীয় সঙ্ঘ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের জাহাজ. জলদস্যুতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে যথেষ্ট সাফল্য সত্ত্বেও এ অঞ্চলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে. যেমন, গত বছরের শেষ দিক পর্যন্ত অপরাধীরা আটক রেখেছে ১২টি জাহাজ ও তার ২৬৩ জন কর্মীকে, এবং সোমালির উপকূল ধরে যাওয়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে ১২০ বার হানা দেয়.