রাশিয়া-চীন সম্পর্ক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য হতে পারে আদর্শ উদাহরন.দুটি দেশের মধ্যে হয়েছে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক.চীনের পার্লামেন্টে বার্ষিক অধিবেশনে বক্তৃতা শেষ জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ান ছেজেই এ কথা বলেন.
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইয়ান বলেন,রাশিয়া-চীন সম্পর্ক শুধুমাত্র চীনের কাছেই গুরুত্বপূর্ন নয়,বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও চিনের কাছে বিশেষ স্থানে রয়েছে.
দুটি দেশের সম্পর্কের ইতিবৃত্ত জানিয়ে ইয়ান বলেন ,দুটি বৃহত্ত রাষ্ট্র একই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে একসাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে.বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে রাশিয়া-চীন এক সাথে কাজ করে যাচ্ছে.বর্তমানে রাশিয়া-চীন দ্বিপাক্ষীক সম্পর্ক কেমন এ বিষয়ে ইয়ান বলেন,অত্যন্ত সহনীয় ও ভারসাম্য.
বর্তমান পেক্ষাপটে রাশিয়া ও চীন ভূ-রাজনৈতিক দিক দিয়ে বিশ্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন দুটি রাষ্ট্র.একবিংশ শতাব্দীতে রাশিয়া এশিয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূ-খন্ডে নিজেদের বিভিন্ন উন্নয়ন অবদান রেখে চলেছে.রাশিয়া বরাবরই তার এশিয় অংশে অবস্থিত দেশসমূহের সাথে অত্যন্ত সু-সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে.তাছাড়া রাশিয়া তার দূরপ্রাচ্য ভূখন্ডের উন্নয়নে চীনের সাথে সম্পর্ককে সর্বদাই অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ন বলে ঘোষনা করে আসছে.দুটি দেশের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার কিলোমিটারের সিমান্ত ভূখন্ড.
বিশ্ব বাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয় চীন বিশ্বে অর্থনৈতিক উন্নয়নে গতিধারার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে.বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, ২০১০ সালের শেষের দিকে এ উন্নয়নের মাত্রা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয়ান দেশসমূহকে ছাড়িয়ে যাবে.