সাকাশভিলি প্রশাসনের সময়ে জর্জ্জিয়া আফগান হেরোইন পাচারের পথের মধ্যবর্তী গুদাম ঘরে পরিণত হয়েছে, এই বিষয়ে প্রামাণিক তথ্য মস্কোতে রাষ্ট্রীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের নেতৃত্বের বৈঠকের সময়ে পেশ করা হয়েছে. এই বিষয়ে দপ্তরের প্রধান ভিক্তর ইভানভ উল্লেখ করে বলেছেনঃ

    জর্জ্জিয়া হয়ে প্রায় সাত টন হেরোইন ইউরোপ ও রাশিয়াতে আসছে. এই পাচারের প্রধান পথ গুলি কৃষ্ণ সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের জলসীমাতে. আর জর্জ্জিয়ার বন্দর বাতুমি ও পোতি বর্তমানে প্রধান গুদাম ঘরের কাজ করছে.

    রাশিয়ার মাদক নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যকে জর্জ্জিয়ার রাজনৈতিক নেতারাও সমর্থন করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সবুজ দলের নেতা গিওর্গি গাচিচেলাদজে. হেরোইন পাচারের কারবারে জড়িয়ে আছে কয়েকজন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মী. এর জন্য অংশতঃ ধরা পড়েছিল দুর্নীতি রোধ দপ্তরের প্রধান গুদুশাউরি, জর্জ্জিয়ার পদাতিক বাহিনীর ঘাঁটির প্রধান খাবতাসি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কর্মী জারনাদজে.

    রাশিয়ার উত্তর ককেশাস অঞ্চলে জর্জ্জিয়া থেকে পাচার হয়ে আসা মাদক দ্রব্য খুবই বড় রকমের ক্ষতি করছে. রাশিয়ার মাদক নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের মূল্যায়নে গত বছরের বাজেয়াপ্ত করা মাদক দ্রব্য এই অঞ্চলে মাদক পাচারের বৃদ্ধি যে আট গুণ হয়েছে তা প্রমাণ করে দিয়েছে. দাগেস্থানে অংশতঃ প্রায় ৬০ গুণ বেড়েছে. ভিক্তর ইভানভ মনে করেন যে, উত্তর ককেশাসে মাদক পাচারের ফল হয়েছে সন্ত্রাসবাদ ও অপরাধের মত নেতিবাচক পরিস্থিতির সক্রিয়তা বৃদ্ধির কারণ.

    এই সমস্ত তথ্যের বিচার করলে দেখা যাবে যে, রাশিয়ার মাদক নিয়ন্ত্রণ দপ্তর আর জর্জ্জিয়া থেকে ও অন্যান্য জায়গা থেকে পাচার হওয়া আফগান মাদক দ্রব্যের স্রোতের মোকাবিলা করতে পেরে উঠছে না. বোঝাই য়াচ্ছে যে, এই কাজ খুব সহজ হবে না. তার ওপর মাদকের উত্পাদন বহু গুণ বৃদ্ধি স্বত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের সহযোগী দেশেরা যদি আফগানিস্থানে আফিমের চাষ ধ্বংস করতে রাজী না হয়.

<sound>