রাশিয়ার নিঝনি নভগোরদের সরমোভো অঞ্চলের বিশ্ব বিখ্যাত কারখানা "ক্রাসনোয়ে সরমোভো" এখানে প্রথম তৈরী ডুবোজাহাজের ৮০ বছরের জয়ন্তী উত্সব পালন করছে. ১৯৩০ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারী সমুদ্র থেকে অনেক দূরে শহরের খালে প্রথম ডুবোজাহাজ "শে – ৩০৪" জলে নামানো হয়েছিল, পরে এ জাহাজের নাম দেওয়া হয়েছিল "কমসোমোলেত্স". মহান পিতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই কারখানাতে ২২ টি ডুবো জাহাজ বানানো হয়েছিল, যারা পরে "জলের নীচের ঝঞ্ঝা" বলে বিখ্যাত হয়েছিল. এই জাহাজ গুলি দিয়ে নাবিকেরা দারুণ সব জয় অর্জন করেছিল . এই জাহাজের দলের একটি জাহাজ "এস – ১৩", ক্যাপ্টেন আলেকজান্ডার মারিসেঙ্কোর অধিনায়কত্বে যে ঘটনা ঘটিয়েছিল, তা বিশ্বের সামরিক ইতিহাসের বীরত্বের গাথা হয়ে রয়েছে. যুদ্ধের সময়ে "এস – ১৩" ফ্যাসিস্ট দের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ জাহাজ "উইলহেলম গুস্তলভ", ছয় হাজার নৌ সেনা সহ ডুবিয়ে দিয়েছিল এবং পাঁচটি জার্মান – ফ্যাসিস্ট জাহাজের ক্ষতি করেছিল, যাদের সর্বমোট জলীয় আয়তন ছিল চল্লিশ হাজার টনেরও বেশী. দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে "ক্রাসনোয়ে সরমোভো" কারখানায় তৈরী ডুবোজাহাজ গুলি এক অত্যন্ত মূল্যবান সংযোজন হয়েছিল. ভোলগা নদী তীরের জাহাজ তৈরী করার শ্রমিকেরা দেশের নৌ বাহিনীকে তিনশরও বেশী ডুবো জাহাজ তৈরী করে দিয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৬ টি পারমানবিক ডুবোজাহাজ রয়েছে, আর এদের মধ্যেই রয়েছে বিংশ শতাব্দীর সব চেয়ে ভাল আক্রমণ ক্ষমতা সম্পন্ন টাইটানিয়ামের খোলসে মোড়া ডুবোজাহাজ "ব্যারাকুডা".