জাতিসংঘ তার ৬টি দাপ্তরিক ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে পালন করবে ভাষা দিবস.আর রুশ ভাষা দিবস পালিত হবে প্রতিবছরের ৬ জুন.
জাতিসংঘ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ৬টি ভাষার প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে.রুশ,ইংরেজী,চাইনিজ,স্প্যানীশ,ফরাসী ও আরব ভাষা দিবস পালন করার অর্থ হল পৃথিবীতে বিদ্যমান প্রতিটি ভাষা ও সংস্কৃতিকে সম্মান জানানো.ফরাসী ভাষা দিবস পালিত হবে ২০ মার্চ,ইংরেজী ২৩ এপ্রিল,স্প্যানীশ ১২ অক্টবর,আরবী ১৮ ডিসেম্বর.চাইনিজ ভাষা দিবস পালনের দিন এখনও নির্ধারন করা হয় নি.
জাতিসংঘ তার প্রতিটি দাপ্তরিক ভাষা দিবস অত্যন্ত উত্সবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে পালন করবে.প্রতিটি ভাষা দিবসে আয়োজন করা হবে বিশেষ কনসার্ট এবং এছাড়াও থাকবে ঐ ভাষায় কথা বলা জাতিদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকালচারের প্রদর্শনী.খাবারের টেবিলে সরবরাহ করা হবে ঐ দেশের সুস্বাদু জাতীয় খাবারসমূহ যেদিন যে দেশের ভাষা দিবস পালন করা হবে.
৬ জুন যেদিন রুশ ভাষা দিবস পালন করা হবে ঐ দিন জাতিসংঘের কর্মকর্তা ও অতিথিদেরকে ঐতিহ্যবাহী রুশি পাঠিসাপটা পিঠা,বাঁধাকপির রোল ও সুপ দিয়ে আপ্যায়ন করা হবে.
জাতিসংঘ ছয়টি ভাষার এই উত্সব পালন করার সিদ্ধান্ত নেয় যখন বিশ্ব আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করতে যাচ্ছে.
উল্লেখ্য যে, ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে এক ঘোষনায় ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়.১৯৫২ সালের ঐ দিন দক্ষিন এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে রাষ্ট্রভাষা “বাংলার” দাবীতে সংগ্রাম করতে গিয়ে বহু লোক প্রান হারায়.পরবর্তিতে বাংলাদেশের সরকারের পক্ষথেকে ইউনেস্কোকে এ দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালন করার অনুরোধ জানায়.
এদিকে ৬ জুনকে রুশ ভাষা দিবস পালন করার একটি বিশেষ কারণ ও রয়েছে.১৭৯৯ সনের ঐ দিন জন্মগ্রহন করেন রাশিয়ার বিখ্যাত কবি আলেকসান্দার পুশকিন.
এদিকে ইউনেস্কো জানায় যে, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৬৫০০টি ভাষা রয়েছে.তবে প্রতি ১৪ দিন পরপর একটি করে ভাষা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে.