জাগতিক বস্তু গত উন্নতির চেয়ে দেশের আত্মিক উন্নতির জন্য বিজ্ঞান সাধনার প্রয়োজন বেশী এই ধারণার সমর্থনে রাশিয়ার বিজ্ঞান দিবসে রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ দেশের যুবক যুবতী একদল বিজ্ঞানীকে উচ্চ প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের সাফল্যের জন্য জাতীয় পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত করেছেন.বাস্তবের প্রয়োজনে এই বিজ্ঞানীদের কাজের মূল্য অপরিসীম. বিজ্ঞানের আধুনিকীকরণ স্পষ্ট উপলব্ধি করা যাচ্ছে, তাঁদের কাজে. আর যা খুব কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, তা হল আধুনিকীকরণ হয়েছে সোভিয়েত বিজ্ঞানের নয়, বর্তমানের রাশিয়ার বিজ্ঞানের. যুবক ও যুবতী বৈজ্ঞানিকরা বিগত কয়েক বছর ধরে টের পেয়েছেন যে, বিজ্ঞান সম্বন্ধে দেশের রাজনীতির সম্পর্ক পাল্টাচ্ছে, আর সব চেয়ে সুখের কথা হল ইতিবাচক দিকে. রাশিয়ার ক্রেমলিনের তথ্য দপ্তর জানিয়েছে যে, ২০১০ সালের সাম্মানিক পুরস্কার পেয়েছেন — রেডিও পদার্থবিদ্যায় সেন্ট পিটার্সবার্গের পাভেল বেলভ, মস্কোর রসায়ন বিজ্ঞানী আলেক্সেই বব্রোভস্কি ও সাইবেরিয়ার বিজ্ঞান কেন্দ্রের দুজন, বায়ো পদার্থবিদ্যায় ইকাতেরিনা শিশাত্সস্কায়া ও রসায়ন বিদ্যায় আলেক্সেই ক্নিয়াজেভ. শিশাত্সস্কায়া বায়ো পদার্থবিদ্যায় কি করেছেন তা নিয়ে কিছু বলা যেতে পারে.১৯৭৪ সালের ১৮ই অক্টোবর ইকাতেরিনা ইগরেভনা শিশাত্সস্কায়া সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক শহরে জন্ম গ্রহণ করেছেন, তিনি ক্রাসনোইয়ারস্ক শহরের জাতীয় চিকিত্সা বিদ্যা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে ২০০৩ সালে পি এইচ ডি শেষ করেছেন আর ২০০৯ সালে ৩৪ বছর বয়সে ডক্টরেট ডিগ্রী পেয়েছেন.রাশিয়ার বিজ্ঞান সাধনার ধারাকে বিশ্বের বিজ্ঞানী সমাজে আবার বিখ্যাত করে তুলেছেন তাঁর কাজ দিয়ে শিশাত্সস্কায়া. তিনি প্রায় একশ টি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার বিজ্ঞান একাডেমীর জার্নালে ও বহু বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নালে. ইকাতেরিনা ইউরোপ ভূমধ্যসাগরের পার্লামেন্ট গুলির সম্মিলিত সংস্থার অন্তর্গত নেতৃ স্থানীয় ইউরোপের বিজ্ঞান কেন্দ্র গুলির সঙ্গে সহযোগিতা করেন এবং নিয়মিত ভাবে বহু সম্মেলনে বক্তৃতা দিয়ে থাকেন. সাইবেরিয়ার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল বায়োলজি বিভাগের প্রধান হিসাবে শিশাত্সস্কায়া সক্রিয় ভাবে কাজ করছেন এবং তাঁর লক্ষ্য হল চিকিত্সা বিদ্যায় সেখান থেকে বিশ্বমানের বিশেষজ্ঞ তৈরী করা.

প্রসঙ্গতঃ রাষ্ট্রপতি নিজে প্রত্যেক প্রাপককে যে পুরস্কার দিয়েছেন তার অর্থ মূল্য আড়াই মিলিয়ন রুবল বা প্রায় ৪০ লক্ষ ভারতীয় টাকা. এই বছরে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিল প্রায় তিনশ টি বৈজ্ঞানিক কাজ.