৩১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জলবায়ু নিরাপত্তার বিষয়ে জাতিসংঘকে অবহিত করার চুড়ান্ত দিন.এ বিষয়ে জাতিসংঘভুক্ত দেশসমূহের প্রধানরা গত বছর ডিসেম্বরে কোপেনহেগেনের জলবায়ু সম্মেলনে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়.যদিও এ বছরে পুরো ইউরোপেই মাত্রাতিরিক্ত তুষারপাত নেতাদের মাঝে এখনও কোন ভাবনার সৃষ্টি করছে না.
কোপেনহেগেনের ঐ জলবায়ু সম্মেলনে অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসানের পর আশা করা হয়েছিল যে বিশ্ব নেতারা পৃথিবীতে কার্বন-ডাই অক্সাইডের পরিমান কমানোর বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে .এমনকি জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের এটিকেই প্রধান কারণ বলে মনে করছেন.কিন্তু সম্মেলনে উপস্থিত ১৯০টি দেশের নেতারে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি.
পরিবেশ সংরক্ষন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা(World Wide Fund For Nature)এর রাশিয়ার প্রতিনিধি আলেক্সেই কাকোরিন বলেছেন, এটাই সিদ্ধান্ত ছিল যে,যারা কোপেনহেগেন সম্মেলনে অংশ নিবে,তাদের অবশ্যই সম্মেলনের সেক্রেরেটারীর দেওয়া নীতিমালায় সংঘতি প্রকাশ করতে হবে.সম্মেলনে কয়েকবারই উন্নতদেশসমূহ তাদের প্রশ্নবলী তুলে নিতে চেয়েছিল.অত্যন্ত সুষ্ঠ পরিবেশের মধ্যেই তারা কোন কোন প্রশ্নবলী তুলে নিতে চায় তার বর্ননা প্রদান করে.
আলেক্সেই কাকোরিনের ভাষায়, BASIC ভুক্ত দেশসমূহ –ব্রাজিল,দক্ষিন আফ্রিকা,ভারত ও চীন মিলিতভাবে একটি প্রজ্ঞাপন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কিন্তু শুধুমাত্র কুবা অস্বীকৃতি জানায়.
সম্মেলনে বিশ্বের প্রতিটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা নিজ নিজ দেশের পক্ষে জলবায়ু সংরক্ষনের নীতিমালা তুলে ধরে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ জানায় যে, রাশিয়া প্রায় ২৫ ভাগ কার্বন কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে.
যদিও রাশিয়া বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনে হুমকির সম্মুখে থাকা দেশের মধ্যে নেই,তবে চলতি বছপে মাত্রাতিরিক্ত ঠান্ডা ও তুষারপাত কিছুটা হলেও উদ্ধেগ সৃষ্টি করেছে বলে জানান আলেক্সেই কাকোরিন.
জলবায়ু শীর্ষক জাতিসংঘের পরবর্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এ বছরের ডিসেম্বরে,মেক্সিকোতে.