১২ই জানুয়ারী ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের ফলে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হাইটির বাসিন্দারা এ ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করছে যে, এখনও পর্যন্ত দুর্দশাগ্রস্তদের সাহায্য দান এবং ধ্বংসস্তূপের তলা থেকে লোকেদের উদ্ধার কাজে সমন্বয় সাধন করা সম্ভব হয় নি. রেড ক্রসের প্রতিনিধিদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, নিহতদের সংখ্যা ৫০ হাজার হতে পারে, আর এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩০ লক্ষ লোক. নিহতদের সমাধিস্থ করা শুরু হয়েছে- এক ভ্রাতৃসমাধিতে নিহত ৭ হাজার জনকে সমাধিস্থ করা হয়েছে. জি-২০ দেশগুলি, যার মধ্যে রাশিয়াও পড়ে, বিশেষ বিবৃতি গ্রহণ করেছে, যাতে হাইটিকে সহায়তা করার প্রস্তুতির কথা আবার জানানো হয়েছে. ইতিমধ্যে সাহায্য এসে পৌঁছেছে, অন্ততপক্ষে, ৩০টি দেশ থেকে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে পাঠাচ্ছে নৌ-সৈনিকদের, যাতে লুঠপাট এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা না ঘটে. পোর্ট-ও-প্রেন্স বিমান বন্দর ব্যস্ত থাকার জন্য রাশিয়ার জরুরী পরিস্থিতি সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের তিনটি বিমান প্রথমে নেমেছিল প্রতিবেশী ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রের সান্তো-দমিঙ্গো বিমান বন্দরে উদ্ধার কর্মীদের নিয়ে. কয়েক ঘন্টা বাদে একটি বিমান হাইটির রাজধানীতে পৌঁছোয়. এতে রয়েছে এয়ারো-মোবাইল হাসপাতাল, যা নামার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রয়োজনীয় সকলকে সুযোগ্য চিকিত্সা সাহায্য দিতে সক্ষম.