হাইটিতে জোর ভূমিকম্পে নিহতদের সংখ্যা এক লক্ষের অনেক বেশি হতে পারে. এ সম্পর্কে জানিয়েছেন হাইটির প্রধানমন্ত্রী জাঁ-মাক্স বেলরিভ. পরে সিনেটার ইউরি লিয়াতোর্তিউ বলেন যে, নিহতদের সংখ্যা ৫ লক্ষ পর্যন্ত হতে পারে. বর্তমানে হাইটির রাজধানী ও অন্যান্য শহরে বাড়ি-ঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় এক হাজার লোক রয়েছে. পোর্ট-ও-প্রেন্সে আগের মতোই বিশৃঙ্খলা বজায় রয়েছেঃ যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্তদের সুসংগঠিত সাহায্য দিতে পারছে না. রাস্তা আটক থাকার জন্য মোটর চলাচল করতে পারছে না, খাদ্যদ্রব্য, ওষুধপত্র ও পানীয় জলের তীব্র অভাব অনুভূত হচ্ছে. প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের অন্যান্য শহরে পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা নেই. হাইটিতে এখন বাস করছে প্রায় ৩০ লক্ষ লোক. রাষ্ট্রসঙ্ঘ এই ক্ষতিগ্রস্ত দেশকে সাহায্য দেওয়া শুরু করেছে. হাইটিতে বিপর্যয় উপলক্ষে নিউ-ইয়র্কে গত রাতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলির জরুরী বৈঠক হয়েছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘ অবিলম্বে এক কোটি ডলার বরাদ্দ করবে এ দেশকে সাহায্যের জন্য. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভের নির্দেশে রাশিয়ার জরুরী পরিস্থিতি সংক্রান্ত মন্ত্রণালয় এয়ারোমোবাইল হাসপাতাল, মোটরগাড়ি, দুটি হেলিকপ্টার এবং বিশেষ সরঞ্জাম সহ বেশ কিছু সংখ্যক উদ্ধারকর্মী পাঠিয়েছে কয়েকটি পরিবহণ বিমানে. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হাইটির এ বিপর্যয়ে রাশিয়ার নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় নি.