ওয়াশিংটন আল-কায়েদার বিরুদ্ধে সংগ্রামের নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করতে যাচ্ছে.ইয়েমেনর আল-কায়দার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ যুদ্ধে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট.সম্প্রতি ইয়েমেনে আল-কায়দার কর্মতত্পরতা বৃদ্ধি পাওয়া যা শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রকেই নয় বরং বিশ্বে শান্তি পরিস্থিতি হুমকির সম্মুখীন করে তুলেছে.মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন.
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য গতকাল সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো ইয়েমেনে নিজ নিজ দেশের দূতাবাস বন্ধ রাখে. বড়দিনে যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি বিমান বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টার পর সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় দেশ দুটি ওই ব্যবস্থা নেয়. সোমবার কূটনীতিকেরা এ কথা জানান.
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইয়েমেনকে আল কায়েদার বিরুদ্ধে সংগ্রামে সহায়তা করবে.যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এ বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছে.সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুটি দেশ থেকেই ইয়েমেনের পুলিশ বাহিনীকে সহায়তা করা হবে.এ বিষয়ে এ মাসেই একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ব্রিটেন. গত ২৫ ডিসেম্বর মার্কিন একটি যাত্রীবাহী বিমানে হামলা চেষ্টাকারী নাইজেরীয় ব্যক্তি ইয়েমেন প্রশিক্ষণ নিয়েছে বলে দাবি করার পর আরব এ দেশটি পশ্চিমা বিশ্বের জন্য আরও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে.
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদা ও অন্যান্য চরমপন্থী সংগঠনের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে হামলার জন্য নতুন উপায় খুঁজছে.’
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-৫ জানিয়েছে, বড়দিনে মার্কিন বিমানে হামলার চেষ্টাকারী নাইজেরীয় নাগরিক ওমর ফারুক আবদুল মোতালেব সম্পর্কে তারা সবিশেষ অবগত ছিল. কিন্তু এ ব্যাপারে তারা মার্কিন কর্তৃপক্ষকে কোনো তথ্য দেয়নি. যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নতুন করে হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের পরিচালক মাইকেল লেইটার শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, আল-কায়েদা ও অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যরা তাদের হামলার ধরন পাল্টানোর চেষ্টা করছে. এর পরিণতি কী হতে পারে সে সম্পর্কেও মার্কিন কর্মকর্তারা অবহিত আছেন.
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, গৃহযুদ্ধ এবং অরাজকতার কারণে আরব বিশ্বের দরিদ্র দেশ ইয়েমেন আল কায়েদার ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে. অপরদিকে, সোমালিয়ার কেন্দ্রস্থল এবং দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে আল কায়েদা সমর্থক জঙ্গি গ্রপ "আল শাবাব".