২০০৯ সনে রাশিয়ার বৈহিরাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা আছে.যার মধ্যে রয়েছে তত্কালিন সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ যা বর্তমানে স্বাধীন কমওনওয়েলফ রাষ্ট্রবর্গের সাথে অর্থনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন.এ সম্পর্কেই রেডিও রাশিয়াকে বিস্তারিত জানালেন কমওনওয়েলফ রাষ্ট্রবর্গের রাজনৈতিক সম্পর্ক সেন্টারের কর্মকর্তা আলেক্সেই বলাসোভ.
“১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া শুল্ক কাঠামো একদিক থেকে তা বাস্তবিক পক্ষেই কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করবে.এ ক্ষেত্রে ক্রেমলিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করতে পারে,যদিও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে.অন্যদিকে সিআইসি রাষ্ট্রবর্গের মূল সদস্যপদ থেকে জর্জিয়ার পদত্যাগ এবং ইউক্রেনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন,সেই সাথে মলদাভিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে মরিয়া হয়ে ওঠা এ সব কিছুই পরিস্থিকে মোটেও স্বাভাবিক বলে মেনে নেওয়া যাচ্ছে না.
রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি যথেষ্ট আশাবাদ জাগ্রত করছে.রাশিয়া চাচ্ছে একটি “রুশ বিশ্ব” প্রক্লের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক একটি সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে.যদিও বর্তমানে এই প্রকল্পের জন্য এখনও চুড়ান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় নি”.
যদি রাশিয়া স্বাধীন কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্টবর্গসমূহের সাথে আলোচিত সবধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারে তবে এ ফোরামভুক্ত দেশসমূহের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে.আর এই নীতিমালা স্বংয় রাশিয়া কাছে ২০১০ সনে গৃহিত সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমের অন্যতম ইস্যু.যা রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ তার বানীতে সম্প্রতি উল্লেখ করেছেন.