রাশিয়া, কাজাকিস্তান ও বেলারুশের প্রেসিডেন্টরা একটি নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো গঠন বিষয়ে নীতিগতভাবে ঐক্যমতে পৌঁছেছে. দিমিত্রি মেদভেদেভ, নুরসুলতান নাজারবায়েব ও আলেক্সান্দার লুকাশেনকো গৃহীত এই নতুন অর্থনৈতিক কাঠামোতে নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন. যা একত্রীকরণ অর্থনৈতিক সংহতি বলে নাম করণ করা হয়েছে.আগামী ২০১২ সালের মধ্যে এই অর্থনৈতিক কাঠামো পরিপূর্নতা লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে.যা হবে অনেকটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতই.
আক-বুলাকে আয়োজিত এই সামিটে তিন দেশের প্রেসিডেন্টরা গুরুত্ব সহকারে উল্লেখ করেন যে মস্কো,মিন্সক ও আসতানা অর্থনৈতিক এই কাঠামোকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমারা সর্বাত্বক সহযোগিতা প্রদান করবো.এই কাঠামো গঠন করার বিষয়ে যুক্তি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রদানরা বলেন যে,অর্থনৈতিক মন্দা আমাদের সব রাষ্ট্রেরই কম বেশী ক্ষতি সাধন করেছে,সুতরাং এই বৃহত্ত সংকট মোকাবিলা করতে তাই সবারই সহযোগিতা প্রযোজন.
আগামী বছরই এই লক্ষে তিনটি দেশের মধ্যে পণ্য আমদানী-রপ্তানীর জন্য নতুন শুল্ক নির্ধারিত হতে যাচ্ছে.তৈরী করা হবে একই শুল্ক ভূখন্ড.আমরা বিশ্ববাসীকে জানাতে চাই যে,এখন সম্পূর্নভাবে তৈরী করা হয়েছে শুল্ক কাঠামো ও নতুন এই শুল্ক নির্ধারণের জন্য আলোচনা চলছে.বললেন কাজাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েব.তিনি উল্লেখ করে বলেন যে,যে বিষয়গুলো এখানে গুরুত্ব পাচ্ছে তা হল, প্রথমত-শুল্ক ভূখণ্ড-এটি আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামো গঠনের প্রথম ধাপ,দ্বিতীয়ত-অবাধ বানিজ্যনীতি এবং সর্বশেষ হচ্ছে সাধারন মার্কেট. একত্রীকরণ অর্থনৈতিক সংহতি যার পরবর্তি রূপই হচ্ছে অর্থনৈতিক ভূখণ্ড.যা হবে অনেকটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতই.
রুশ সরকারের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ইগর শুবালোব বলেন, প্রেসিডেন্টরা উল্লেখ করেছেন যে, আলোচনার সিদ্ধান্তসমূহ নিঃসন্দেহভাবেই কর্যকর করা হবে এবং আগামী ২০১০ সালের মধ্যে একত্রীকরণ অর্থনৈতিক সংহতির সমাপ্তি ঘোষনা করা হবে. তিনি বলেন যে, একত্রীকরণ অর্থনৈতিক সংহতির সৃষ্টি রাশিয়া,কাজাকিস্তান ও বেলারুশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে.