সংবিধান দিবস আজ পালিত হচ্ছে রাশিয়াতে.ঠিক ১৬ বছর পূর্বে ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৩ সনে রাশিয়ার সংবিধান কর্যকরের জন্য বিশেষ আইন প্রতিষ্ঠা করা হয়.শতকরা ৬০ ভাগ রুশীরা এই নতুন সংবিধান অনুমোদনের জন্য মতামত প্রদান করে.সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়ার এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবি.
নতুন আইন কার্যকরের পর থের সংবিধান গঠনের পূর্ব পর্যন্ত রাশিয়ার নতুন গনতন্ত্রের প্রথার তেমন কোন উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয় নি.ঐ সময় নতুন এই সংবিধান অনুমোদনের বিষয়টিও যথেষ্ট কঠিন বিষয় ছিল.আর এই কাজটি যিনি সম্পাদনা করেছেন তিনি হলেন বিকতর শেইনিস.
“অবশ্যই নতুন এই সংবিধানের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম.কার্যকরের সময় এই নথিটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সংবিধানের থেকে অনেক ভিন্ন.সহজেই যেন তা অনুধাবন করা যায় তার জন্য রাশিয়ার নতুন সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে.নতুন সংবিধান অনুমোদনের পূর্বে পার্লামেন্ট বেশ কয়েকবার এর সংশোধনী অধিবেশন করে”-বললেন বিকতর শেইনিস.
বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ অবশ্য মনে করেন যে ৯৩ সনে গৃহীত ঐ সংবিধানে নাগরিকদের স্বাধীনতার বিষয়ে তেমন গুরুত্ব পায় নি.সবচেয়ে বেশী সমালোচনা করা হয় সংবিধানের ভারসাম্যহীনতাকে.
সংবিধান কার্যকরের পর শুধুমাত্র ১ বছর পূর্বে এর প্রথম পরিবর্তন আনা হয়. আর তা ছিল প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট দুমার মেয়াদকাল যথাক্রমে ৬ ও ৫ বছরে বৃদ্ধি করা.
এদিকে রাশিয়ার “সামাজিক মতামত সেন্টার”জানায় যে, অধিকাংশ রুশীরা মনে করছে যে আগামী ২০ বছরের মধ্যে সংবিধানের আরও পরিবর্তন আনা হবে.
এদিকে দেশের স্বনামধন্য দুই আইনজীবি সেরগেই আনতন ও ইগর তুরুনব জানায় যে, রাশিয়ার সংবিধান কোন ক্রমেই পরিবর্তন আনা ঠিক হবে না .তারা মনে করেন, রাশিয়ার সংবিধানকে একটি গ্রহণযোগ্য নথি বলে মনে করা যেতে পারে. এর কোন পরিবর্তন আনা হলে তা হতে পারে বিপদজনক.মস্কোর আইনজীবি পরিষদের এক নেতা জানায় যে, শুধুমাত্র সংবিধান পরিবর্তন নয়, পরিবর্তন আনতে হবে আমাদের জীবনে.