উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোরীয় উপদ্বীপের অ-পারমাণবিকীকরণ সংক্রান্ত ছয়-পাক্ষিক আলাপ-আলোচনা পুনরারম্ভের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পারস্পরিক সমঝোতায় এসেছে.উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্তব্যে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, ৮ই থেকে ১০ই ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভেন বসওয়ার্থের পিয়ংইয়ং সফরের সময় পক্ষদ্বয়ের স্থিতিতে নৈকট্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া তাছাড়া ২০০৫ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বরের মিলিত ঘোষণাপত্র মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেছে, যাতে সূত্রবদ্ধ আছে সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র ও বিদ্যমান পারমাণবিক কর্মসূচি বর্জন করা সম্পর্কে পিয়ংইয়ংয়ের বাধ্যবাধকতা এবং তাছাড়া পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার নিরোধের চুক্তিতে ও আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফিরে আসার কথা. বসওয়ার্থ অতি ব্যাপক পরিসরের প্রশ্নাবলি সম্পর্কেও খোলাখুলি মত বিনিময় করেছেন, সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ ও কোরীয় উপদ্বীপের অ-পারমাণবিকীকরণ সংক্রান্ত প্রশ্নে. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্তব্যে বলা হয়েছে, পক্ষদ্বয় পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সমঝোতায় এসেছে যাতে মতভেদ সম্পূর্ণভাবে দূর করা যায়. এপ্রিলে পিয়ংইয়ং ঘোষণা করেছিল যে, দুই কোরীয় রাষ্ট্র, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপান সম্বলিত ছয়-পাক্ষিক আলাপ-আলোচনা চালাতে অস্বীকার করছে.