১৫ বছর আগে, ১৯৯৪ সালের ১১ই ডিসেম্বর রাশিয়ার সৈন্যবাহিনী চেচেন প্রজাতন্ত্রের প্রশাসনিক সীমানা অতিক্রম করে. শুরু হয় প্রথম চেচেন অভিযান, যার উদ্দেশ্য ছিল ঘোষিত সাংবিধানিক শৃঙ্খলা স্থাপন করা. যে সব ঘটনা এই সশস্ত্র সঙ্ঘর্ষে নিয়ে এসেছিল তা বিকশিত হতে শুরু করে ১৯৯১ সালের হেমন্তে, যখন চেচনিয়ার নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং সোভিয়েত রাশিয়ার ফেডারেটিভ সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার কথা ঘোষণা করে. এ প্রজাতন্ত্রে সামরিক ক্রিয়াকলাপ চলে প্রায় দু বছর ধরে. প্রথম চেচেন যুদ্ধে, সরকারী তথ্য অনুযায়ী, ফেডারেল বাহিনীর ক্ষতির পরিমাণ ছিল- ৪১০৩ জন নিহত, ১৯০৬ জন নিখোঁজ এবং ১৯৭৯৪ জন আহত. আর হাসাভিউর্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর চেচনিয়া, কার্যত, স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠে. প্রজাতন্ত্রে প্রবর্তিত হয় শারিয়াতের নিয়ম, বাস্তব কেন্দ্রীয় শাসন ক্ষমতা না থাকার দরুণ চেচনিয়ার বিষয়টি রাশিয়ার জন্য কয়েক বছর ধরে ব্যথাদায়ক ছিল. ১৯৯৯ সালের গ্রীষ্মকালে শামিল বাসায়েভ এবং আরবের হাত্তাবের জঙ্গীরা দাগেস্তানে আক্রমণ শুরু করার পর শুরু হয় দ্বিতীয় চেচেন অভিযান. প্রজাতন্ত্রে প্রবর্তিত হয় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ব্যবস্থা, যা বলবত ছিল প্রায় ১০ বছর এবং শুধু এ বছরের ১৬ই এপ্রিল তা বাতিল করা হয়. এই দ্বিতীয় চেচেন অভিযানের সময়ে জঙ্গীদের প্রকৃতপক্ষে সমস্ত নেতাকে ধ্বংস করা হয়. যে সব চেচেন জঙ্গীদের দলে ছিল কিন্তু কোনো অপরাধ সাধন করে নি, তাদের জন্য ক্ষমা দান ঘোষণা করা হয়. প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতি পুনর্স্থাপনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়.