রাশিয়ার পের্ম শহরে “লেম হর্স” নামের একটি নাইটক্লাবে শুক্রবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১২ তে উন্নীত হয়েছে. এছাড়া হাসপাতালে ১২০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে .মারাত্মক আহতদেরকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ইতিমধ্যে রাজধানী মস্কোতে নিয়ে আসা হয়েছে. তবে এদের অধিকাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক.আতশবাজি থেকে এ আগুন লাগে বলে কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে.
রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশের পূর্ব দিকের শহর পের্ম ও উরাল পর্বতমালার সানুদেশের শহর. পের্ম অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র যা কামা নদীর তীরে অবস্থিত.এটি একটি বন্দর শহর হিসেবেও পরিচিত.আয়তনে এটি একটি বিশাল শিল্প নগরী বলা যায়. এখানে বিজ্ঞান গবেষনা কেন্দ্র, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং উরাল অঞ্চলে মালামাল পরিবহনের কেন্দ্র রয়েছে. পের্ম শহরের জনসংখ্যা প্রায় দশ লক্ষ.
সাপ্তাহিক কাজের শেষে শহরের লোকজন ক্লাবটিতে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য মিলিত হয়েছিল.স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে. দুর্ঘটনার সময় ক্লাবটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলছিল.ক্লাবের অভ্যন্তরে সকল প্রকার আতশবাজি ফোটানো নিষিদ্ধ, কিন্তু জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সেখানে আতশবাজি ফোটানো হয়. এ সময় ক্লাবে প্রায় ২৫০ জন লোক ছিল.আগুন লাগার ফলে ক্লাব থেকে দ্রুত বের হওয়ার সময় হুড়োহুড়ি করে বের হতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যান অনেকে
এদিকে রাশিয়ার পের্ম শহরে “লেম হর্স” নামের একটি নাইটক্লাবে শুক্রবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের হতাহতের ঘটনায় বিশ্ব নেতাদের শোক প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে.রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ ও প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমীর পুতিনের ফ্রাক্স নাম্বারে একের পর এক শোক বার্তা পাঠাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা.এ পর্যন্ত যারা শোক বার্তা পাঠিয়েছেন তা রা হলেন-আজারভাজেনের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েব,ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বিকটর ইউশেনকো,পোল্যান্ডের রাষ্টপ্রধান লেখ কাচিন্সকী,হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র মাইখ হামেরা.এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন,স্বাধীন কমওনওয়েল রাষ্ট্রসমূহ ও বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহের কাছ থেকে সমবেদনা পত্র আসে.