যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অন্তর্ভুক্ত দেশ গুলির মাদক প্রতিরোধ দপ্তরের জন্য নিজস্ব তথ্য ব্যাঙ্ক তৈরী হচ্ছে, যেখানে বহুজাতিক অপরাধী দলের খবর পাওয়া যাবে, যারা মাদক পাচার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত. এই ব্যাঙ্কের সাহায্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ সাতটি দেশ – রাশিয়া, আর্মেনিয়া, বেলোরাশিয়া, কাজাখস্থান, কিরগিজিয়া, তাজিকিস্থান ও উজবেকিস্থান – তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একসাথে আফগানিস্থান ও অন্যান্য দেশ থেকে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে.

রাশিয়ার জাতীয় মাদক সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ পরিষেবাকে আজ এই ব্যাঙ্ক চালু করতে বলা হয়েছে. আর আজ তা চালুও হয়েছে, যদিও এখনো তা পরীক্ষা মূলক ভাবে চলছে. এই ব্যাঙ্ক তার সম্পূর্ণ কাজ শুরু করবে আগামী বছরে, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির দেশগুলি এখানে যে তথ্য বিনিময় করবে তা অধিকাংশই হবে গোপনীয়. তাই সম্ভব হবে বিচার করা ও বাস্তবে প্রয়োগ করার. এর ফলে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সংস্থার "রেডিও রাশিয়া"কে দেওয়া ঘোষণা অনুযায়ী মাদক পাচারের পথ রোধ করা সম্ভব হবে.

যদিও এই তথ্য ব্যাঙ্ক এখনও তৈরী হচ্ছে, তবুও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অন্তর্ভুক্ত দেশ গুলির স্বরাষ্ট্র দপ্তর গুলি ইতিমধ্যেই মাদক পাচার বন্ধ করার কাজ শুরু করেছে. অংশতঃ রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তর গত ছয় মাসে প্রায় ১৭ টন মাদক দ্রব্য বাজার থেকে তুলে নিতে পেরেছে, এর মধ্যে দেড় টনের ও বেশী হেরোইন. এই পরিমান গত বছরের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ বেশী.

যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামোর মধ্যে বর্তমানে অন্তর্দেশীয় মাদক পাচার বিরোধী কর্মসূচী চালু হয়েছে, যা ব্যবহার করার ফলে মাদক সরবরাহের রাস্তা গুলির খবর পাওয়া যাচ্ছে. যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির মধ্যে মাদক পাচার বিরোধী দপ্তরের বিশেষজ্ঞ মিখাইল মেলিখভ বলেছেনঃ

"মাদক প্রসারের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচী খুবই প্রয়োজনীয় এবং ফলপ্রসূ. এই কাজে শুধুমাত্র যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির দেশ গুলিই নয়, এমন কি চীন, জার্মানী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অংশ নিয়েছে. আমাদের আজারবাইজান, ইউক্রেন, লাতভিয়া ও এস্তোনিয়া র সহকর্মীরাও এতে অংশ নিয়েছেন সক্রিয় ভাবে. কিছু দিন আগে আমাদের একটি অপারেশনে যোগ দিয়েছিলেন আফগানিস্থান, ইরান, তুর্কমেনিয়া, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিনিধিরা. বিগত অপারেশনে নভেম্বর মাসে কলম্বিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তর বেআইনি পাচারের কবল থেকে দেড় টন কোকেইন উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে".

মাদক পাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম – সন্ত্রাস বাদের ব্যাপক প্রতিরোধের একটি অংশ, যে সন্ত্রাসবাদ এই মাদক পাচারের টাকাতে পুষ্ট হয় এবং এই সংগ্রামের জন্য সমস্ত দেশের সরকারের একসাথে কাজ করা দরকার.